প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০২২ । ৩:৪১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে এক নারীর ৫ বিয়ে, পরকীয়ার ফাঁদে প্রবাসীরা!

অনলাইন ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১ নং বালিথুবা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের রাজাপুর গ্রামের সাথী আক্তারের প্রতারণায় শিকার হয়ে অনেক প্রবাসী সর্বস্বান্ত হয়েছে । প্রথমে মোবাইলে যোগাযোগ পরে পরকীয়া প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভনে প্রবাসীদের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বালিথুবা ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের খলিফা বাড়ির আলতাফ হোসেনের মেয়ে এই ছলনাময়ী প্রতারক সাথী আক্তার।

মাত্র ২৪ বছর বয়সে সাথী আক্তার দেশ ও বিদেশের ৫ জন যুবকে বিয়ে করেছে। পরকীয়া প্রেম ও প্রতারণা করে প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে সাথীর নেশা ও পেশা।

পরকীয়া প্রেম ও প্রবাসীদের টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনা অনুসন্ধানে জানা যায়, সাথী আক্তার ছোটবেলা থেকে ছিল দুষ্টু প্রকৃতির মেয়ে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে নোয়াখালী যুবক মনিরকে বিয়ে করে। সেই সংসার কিছুদিন করলেও তার বাড়ির পাশে সৌদি প্রবাসী এক যুবকের সাথে পরকীয়া প্রেমে সম্পর্ক গড়ে তুলে। সেই প্রবাসীকে বিয়ে করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার পর সৌদি আরব চলে যায়।

সেখানে গিয়ে আবার নতুন করে চাঁদপুর সদরের পশ্চিম সকদি প্রবাসী সুমনকে বিয়ে করে, তাকে ছেড়ে ফরিদগঞ্জ আনন্দবাজার সাহাপুর এলাকার নুরে আলমকে পরকীয়া প্রেমের ফাঁদে ফেলে চতুর্থ বিয়ে করে। সেই সংসার কিছুদিন টিকলেও পুনরায় সংসার ভেঙে কাতার প্রবাসী চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি ইসমাইলকে বিয়ে করে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে আসে। তারপরে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে সৌদি আরব রিয়াদ প্রবাসী কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শুভকে কাছ থেকে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এভাবেই একের পর এক প্রবাসীদের টার্গেট করে পরকীয়ার ফাঁদে ফেলে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে এই ছলনাময়ী নারী ফরিদগঞ্জের সাথী আক্তার।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাথী আক্তারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার বাড়িতে যাওয়ার পর তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মা জানান, ১৪ বছর বয়সে মোবাইল ফোনে প্রেম সম্পর্ক গড়ে ওঠে নোয়াখালীর মনিরের সাথে তার সর্বপ্রথম বিয়ে হয়। সেই সংসার কিছুদিন টিকলেও পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী এলাকার এক প্রবাসীর সাথে সম্পর্ক করে সৌদি আরব চলে যায়। সেখান থেকে দেশে ফিরে আসলেও এখন সে কোথায় আছে কেমন আছে কার সাথে রয়েছে তার কোন সন্ধান জানা নেই। তার এই কর্মকাণ্ডে পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে তাই তার সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক নেই।

এদিকে ভুক্তভোগী প্রবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, এই প্রতারক ছলনাময়ী সাথী আক্তার অনেক প্রবাসীর জীবন ধ্বংস করেছে। প্রবাসীদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই প্রতারক সাথী আক্তার এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান ভুক্তভোগী প্রবাসীরা।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন