এর আগে মঙ্গলবার (১০ মে) সকালে নিহতের ভাই চাঁদপুর সদর মডেল থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
স্থানী সূত্রে জানা যায়, সোমবার নাছির উদ্দিনের মা ও বোনকে দিয়ে কৌশলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করায়। সে সময় তাদেরকে হত্যার ঘটনায় বিচার থেকে রক্ষা করার আশ্বাস দেয়। পরে মা ও বোনের কথা শুনে নাছির চাঁদপুরে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এক পর্যায়ে নাছির লঞ্চযোগে ঢাকা থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশে রওয়ানা হন। চাঁদপুর লঞ্চঘাট এর কাছাকাছি এলে তার পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ রক্ষা করতে থাকেন। তখন চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা সাদা পোশাকে লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থান নেয়।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আবদুর রশিদ জানায়, নাছির তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পরে আমরা কৌশল অবলম্বন করে তার পারিবারের মাধ্যমে চাঁদপুর নিয়ে আসি এবং লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করি। তিনি তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক