মোঃ রাছেল : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর উদ্ধার কাজে যান সীতাকুন্ডের ফায়ার স্টেশন কর্মী ইমরান মজুমদার (৪০)। কিন্তু ভয়াবাহ বিস্ফোরণে অগ্নিদগন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
১০ ঘন্টাপর তাঁর লাশের খোঁজ পেয়েছেন স্বজনরা। নিহত ইমরান মজুমদার বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসে ২০০১ সালে ফায়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেন, তিনি একজন দক্ষ এবং সাহসী ফায়ারম্যান ছিলেন।
সোমবার রাতে নিহতের মরদেহ তার নিজ গ্রাম কচুয়ার সিংআড্ডা গ্রামে পৌঁছায়। পরদিন
মঙ্গলবার সকালে জেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে তার লাশ দাফন করা হয়।
চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাইদুল ইসলাম জানান, নিহত এমরান হোসেন মজুমদার সীতাকুন্ড ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। শনিবার রাতে সীতাকুন্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোর আগুন লাগার পর উদ্ধার কাজে গিয়ে তিনি মারা যান।
এসময় চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাইদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোতাছেম বিল্যাহ,কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন কর্মকর্তা মো. মাহাতাব মন্ডল,ইউপি চেয়ারম্যান এম আখতার হোসাইনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়। এমরান হোসেন মজুমদারের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনার পর স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
উল্লেখ্য যে, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার উত্তর কচুয়ায় ইউনিয়নের সিংড্ডা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে নিহত ইমরান মজুমদার। মৃত্যুকালে তিনি দুইসন্তান, স্ত্রীর গর্ভে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা সন্তান রেখে যান।
ফায়ার লিডার এমরান মজমুদারের নামাজের জানায়ায় এলাকার শত শত লোক অংশ নেয়।

অনলাইন ডেস্ক