প্রকাশের সময়: বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২ । ৩:০৪ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

রামপুর ইউনিয়নে ৪০ পরিবারের কাছে আতঙ্কের নাম কুলসুমা

অনলাইন ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে ৪০ পারিবারের কাছে আতঙ্কের নাম কুলসুমা বেগম। এই কুলসুমা বেগম জোড় পূর্বক অন্যের সম্পতি দখল করা থেকে শুরু করে অনৈতিক কাজ,কথায়-কথায় মানুষের সাথে হামলা-মামলা আর মারামারি যেন নিয়মে পরিনত হয়েছে।দিন দিন তার এই অত্যাচারের সীমা যেন পার হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গন্যমান্য লোকজনও তার সেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করলে হেনস্তার শিকার হয়।

কুলসুমার অত্যাচারের শিকার তফাদার বাড়ির একাধিক ভোক্তভোগী জানায় এই কুলসুমা আমাদের বাড়িতে বসবাসের জন্য প্রায় ৪ শতাংশ জমি খরিদ করেছে। কিন্তু সে বর্তমানে পেশিশক্তি আর টাকার প্রভাব খাটিয়ে চতুরদিকে অন্য মানুষের সস্পত্তি দখলের পায়তারা অব্যবহত রাখছে।এই নিয়ে তফাদার বাড়ির সবার সাথেই সে বিভিন্ন জামেলা ও হট্টগোল করেই থাকে।এমনি কুলসুমা দীর্ঘ বছরের পুরানো তফাদার বাড়ির ইসমালী রাস্তাও নিজের দাবি করে বাশেঁর বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে।শুধু এখানেই শেষ না কুলসুমার এক ছেলে সেনাবাহিনীতে চাকুরি করছে।সে নিজেও মায়ের এই অপকর্মের সহযোগীতা করছে বলে বাড়ির ভুক্তভোগী মানুষরা জানায়।কুলসুমার বিভিন্ন অনৈতিক কাজ ও মামলাবাজ মানসিকতার প্রতিবাদ করায় তার স্বামী মফিজ তফাদারকে বাড়ি থেকে তাকে বের করে দেয়।

তফাদার বাড়ির লোকজন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আল মামুন পাটোয়ারী ও স্থানীয় মেম্বার জসিম তফাদারকে বাড়ির সমস্যাটি জানায়।শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য চেয়ারম্যান কুলসুমার কাছ থেকে এসব সেচ্চচারিতার কারন জানতে চাইলে চেয়ারম্যান নিজেও হেন্তার শিকার হন।এদিকে কুলসুমার তান্ডব ক্রমাগত বাড়তেই থাকে।অবস্থার ভুক্তভোগী ৪০ পরিবার স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যাক্তিদের পরামর্শে মডেল থানায় অভিযোগ জানায়।তার প্রেক্ষিতে মডেল থানার দায়িত্বশীল অফিসার উভয় পক্ষকে গত ৫ জুলাই বিকালে থানায় আসতে বলে।পুলিশের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে ভোগভোগী পরিবারের সদস্যরা থানায় আসলেও,থানায় আসেননি ভূমিখেকো কুলসুমা বেগম।কেন ভুক্তভোগী পরিবার থানায় তার নামে অভিযোগ করলো তার পরিমানে গতকাল ৬ জুলাই চলে ভুক্তভোগী পরিবারের উপর চলে কুলসুমার পাশবিক তান্ডব।দা,বটি ও বাঁশের লাঠি হাতে যাকে যেভাবে পারছে আঘাত করছে।তার এই তান্ডবে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানা গেছে গেছে। তার এমন অমানবিক তান্ডবে পুরো তফাদার বাড়িতে বিরাজ করছে তমথমে ভাব।ভয়ে কেউ বাড়িতেও থাকতে পারছে না।

এখন জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান ও পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদের কাছে ভুক্তভোগী পরিবারের একটাই দাবি আপনারা সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার করুন। আমারা আমাদের বাপ দাদার ভিটা মাটিতে যাতে থাকতে পারি সেই ব্যবস্থা করে দিন।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন