প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২ । ৩:২৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভূমি দখলের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি : কচুয়ায় উপজেলার বড়পাড়া গ্রামের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভূমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের বড়াপাড়া গ্রামের মজুমদার বাড়ির আনোয়ার হোসেন (জাহাঙ্গীর) ২০১৩ সালে মৃত্যুবরন করনে। দুই কন্যার পিতা জাহাঙ্গীর হোসেন মৃত্যুর কয়েক মাস পূর্বে তার স্ত্রী মারজানা চৌধুরানীকে ১৫৭ নং আশ্রাফপুর মৌজার বিএস ১৩৩৮ নং খতিয়ানে হালে ৬১৩৪ দাগে ষাট শতক ভূমি হেবা দলিল মূলে রেজিষ্ট্রি করে দেন। আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর হেবা দলিলের ভূমি দখল নিতে গেলে আনোয়ার হোসেনের ভাই তকদির হোসেন সহ অন্যান্য ভাই ও বোনরা এতে বাধা দেয়। তকদির হোসেন গংরা উক্ত হেবা দলিল মিথ্যা ও ভূয়া দাবি করে।

হেবা দলিলের নামে ভূয়া দলিল সৃষ্টির অভিযোগে তকদির হোসেন চাঁদপুরের বিজ্ঞ কচুয়া সাব জজ আদালতে মারজানা চৌধুরানীকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১৮৩/২১। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। মারজানা চৌধুরানী হেবা দলিল সম্পূর্ণ সঠিক এদাবিতে অটল- অনড় অবস্থান নিয়ে উক্ত ভূমি ভোগ দখল করে আসছে।

তিনি এ ভূমি স্থানীয় অধিবাসী জনৈক আরিফ হোসেনের নিকট বর্গা দিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন। এদিকে এ ভূমি থেকে মারজানা চৌধুরানীকে বেদখল দিতে চেষ্টা চালিয়ে আসে তকদির হোসেন গংরা এমনি দাবিতে মারজানা চৌধুরানী চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ফৌজদারী কার্যবিধি ১৪৫ ধারায় নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে বিজ্ঞ আদালত গত ২৮-৬-২০২২ইং তারিখে (স্মারক নং ২০২৯(৪), অস্থায়ী স্থিতাবস্থায় বজায় রাখার ব্যবস্থা নেওয়া এবং নালিশী ভূমির দখল বিষয়ে মতামত সহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। কচুয়া থানার পুলিশ সরজমিনে গিয়ে আদালতের নির্দেশ জারি করে আসে।

মারজানার অভিযোগ,আদালতের নির্দেশ জারি করা সত্বে ও ১৬-০৭-২০২২ইং তারিখ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তকদির হোসেন গংরা মারজানা চৌধুরানী দখলীয় ভূমি দখল করার চেষ্টা নেয়। তারা ভূমি বর্গা নেওয়া আরিফ হোসেনের পানির মটর, ১০ বস্তা মাছের খাবার ও থাকার তোষক লেপ সহ অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে যায়।

এঘটনায় মারজানা চৌধূরানী তকদির হোসেন সহ চারজনকে বিবাদী করে কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ তদন্ত করছেন কচুয়া থানারএসআই সুদীপ্ত শাহীন। তিনি জানান, অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিবাদী তকদির হোসেন জানান, মারজানা চৌধুরানীর উপস্থাপন করা হেবা দলিলটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি, মামলার রায় আমাদের পক্ষে হবে বলে আশাবাদী। অপর দিকে মারজানা চৌধুরানী হেবা দলিলটি সম্পূর্ন সঠিক দাবি করে বলেন, দলিলের স্বপক্ষে আমি যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে প্রস্তত রয়েছি।

উক্ত ভূমির দখল – বেদখল নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তোজনা বিরাজ করছে। যেকোন সময় শান্তি বিঘ্নের ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে স্থানীয় অধিবাসীরা আশংকা করছে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন