সজীব খান : চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেওয়া বয়স্ক ভাতার টাকা কম দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে।
বুধবার বিকাল ৪টায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফহমিদা হক সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করেন। হানারচর ই্উনিয়নের সমাজকর্মী, ওয়ার্ড মেম্বার, ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভাতাভোগীদের টাকা কম দেওয়ার অভিযোগ উঠে। বিষয়টি সত্য কিনা তা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় তা নিয়ে তদন্ত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান।
সমাজ সেবা অফিসার জামাল উদ্দিন বলেন, বুধবারের ঘটনার সত্যতার যাচাইয়ের জন্য সদর ইউএনও হানারচরে গিয়ে ভাতাভোগীদের সাথে কথা বলবেন, ঘটনার সত্যতা জানবেন।
সরকার নতুন বইয়ে ভাতাভোগীদের জন্য ৬হাজার টাকা নির্ধারন করেন। কিন্তু হানারচর ইউনিয়নে ভাতাভোগীদের নির্ধারিত টাকা দেওয়া হয়নি বলে ভুক্তভোগী কয়েকজন অভিযোগ করেছেন। ওয়ার্ড মেম্বার, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ও ব্যাংক এশিয়ার কিছুু লোকের যোগসাজশে হানারচরের ভাতাভোগীদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ আসে।
এ নিয়ে রবিবার প্রিয় চাঁদপুর অনলাইন সহ চাঁদপুরের স্থানীয় বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের দৃষ্টিতে পড়লে জেলা প্রশাসক বিষয়টি ৭দিনের মধ্যে তদন্ত করার জন্য সদর নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করেন। এরপর সোমবার মোঃ জলিলকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেন। সোমবার কর্মদিবসে তাকে সেখানে যোগদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে বলে সমাজ সেবা অফিস থেকে জানা যায়।
অভিযুক্ত হানারচর ইউনিয়নের সমাজকর্মী মোঃ জলিল বলেন, শনিবার হানারচরে বিশটি বইয়ের টাকা দেওয়া হয়। ১০টি এখনো রয়েছে, সেগুলো উপজেলা থেকে বিরতন করা হবে। শনিবার যাদের যাদের টাকা দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের যার যার টাকা তার হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। টাকা মারার বিষয়ে আমি কিংবা আমার অফিস কিছ্ইু জানেনি। এখানে ভুল বুঝাবুুঝি হয়েছে। সবাই যার যার টাকা পেযেছে। অভিযোগটি সঠিক নয়।
হানারচরে ভাতা ভোগীদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের ঘটনা জানা জানি হওয়ার পর অভিযুক্ত জালিলকে সাথে সাথেই স্ট্যান্ড রিলিজ করে কচুুয়া উপজেলায় বদলি করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক