স্টাফ রিপোর্টার : শাহরাস্তির চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের খেড়িহর গ্রামে একশ্রেনীর প্রভাবশালী দুর্বৃত্ত কতৃক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ফজলুর রহমানের পরিবারের গাছ কেটে সম্পত্তি জবর দখলের পায়তারার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে উঘারিয়া তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বীর মুক্তিযুদ্ধা শহীদ ফজলুর রহমানের পুত্র আনিসুর রহমান বিজয় জানান, স্থানীয় প্রভাবশালী দুর্বৃত্ত খেড়িহর বাহার বাড়ীর বাদশা মিয়ার ছেলে মো: হেলাল (৪৫) ফলজ গাছ কেটে আমাদের খরিদাকৃত সম্পত্তি দখলে নিতে পাঁয়তারা করছেন। আমরা বাড়ীতে না থাকার সুযোগে তারা আমাদের ফলজ ও বনজ গাছ কেটে পূর্বে ও সম্পত্তি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করে আসছিল।
গত ১০ই আগষ্ট বুধবার খেড়িহর বাজার থেকে খেড়িহর মাদ্রাসা সংযোগ সড়কের বাহার বাড়ী সংলগ্ন আমাদের খরিদাকৃত সম্পত্তির তাল গাছ কেটে ফেলে সম্পত্তি দখল করতে চাইলে স্থানীয়রা বাঁধা দেয়। পরবর্তীতে বিষয়টি আমরা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করলে স্থানীয় উঘারিয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ মফিজুল ইসলাম খাঁন ও সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় আবদুল ওয়াহিদ (৭০) আবুল কালাম (৬৮) ও হাজী শামসুল হুদা বাহার (৭২) জানান, মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের পরিবারের সন্তানরা বাড়ীতে থাকেনা, সম্পত্তি পরিমাপের জন্য দু’পক্ষকে বসে বিষয়টি সমাধানের জন্য জানানো হয়েছিল। কি কারনে হেলাল গাছ কেটেছে, আমাদের বোধগম্য নয়। তবে শুনেছি এ রাস্তার কাজ করা হবে। তবে কর্তনকৃত গাছগুলো মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের সন্তান আনিসুর রহমান বিজয়দের রোপনকৃত গাছ। আবার রোপনকৃত গাছগুলো হেলাল গংরা নিজেদের সম্পত্তির উপর বলে ও দাবি করছেন। তবে উভয় পক্ষ উপস্থিত থেকে সম্পত্তি পরিমাপ করে চূড়ান্তভাবে বিষয়টি সমাধান করা সম্ভব।
এ বিষয়ে মো: হেলাল উদ্দিন জানান, এ সম্পত্তি বেশ কয়েকবার পরিমাপ করা হয়েছে, প্রতিবার সম্পত্তি পরিমাপের সময় আনিসুর রহমান বিজয়দের জানানো হলেও তারা উপস্থিত ছিলেন না। অতিশীঘ্রই এ সড়কের নির্মান কাজ শুরু হবে,তাই গাছ কেটেছি। এছাড়া তাল গাছটি বিদ্যুৎতের তারের সাথে জড়িয়ে গেছে। সম্পত্তি পরিমাপে তাদের রোপনকৃত গাছ ও সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন জায়গা আমাদের মধ্যে পড়েছে।
এ বিষয়ে উঘারিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো: মফিজুল ইসলাম খাঁন জানান, মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তাল গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ ফেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

অনলাইন ডেস্ক