প্রকাশের সময়: সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২ । ৭:২১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জ স্কুল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধ্যপুর উত্তর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মান অনিয়ম দিয়েই শুরু হয়েছে।
১ কোটি ২ লাখ টাকা বরাদ্ধে বিদ্যালয়টির কাজ এবছর জুলাই মাসে শুরু করে স্থানীয় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করার সাথে সাথে অন্যত্র থেকে ১২ ট্রাক খোয়া (কংকর) রাতের অন্ধকারে নিয়ে আসে। একই সময় কাজের স্থানে মেশিন দিয়ে নতুন খোয়া ভেঙ্গে ডেকে দেয়। পরে এলাকার লোকজন টের পেয়ে তার প্রতিবাদ করে। এ ঘটনা বিদ্যালয় পরিচানা কমিটির সভাপতি ও পিটিএ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম ও উপজেলা প্রকৌশলীকে জানালে তারা তৎক্ষণাৎ ওই খোয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে তারা নতুন খোয়া ভেঙ্গে বেইস ডালাই দেয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার ভবন নির্মানে গ্রেড বিমের নীচে সট কলাম যে পরিমানে ডালাই দেয়ার কথা ছিল সে পরিমানে না দিয়ে ৮ ইন্সি কম দিয়ে সট কলমের কাজ শেষ করেছে। তার পর পাঁচফুট সটকলমের উপরের অর্ধেক চার পাশে দেড় ইন্সি করে পুনরায় ডালাই করে সম্পন্ন করে।  যা সম্পন্ন অনিয়ম। বিষটি স্থানীয়রা বুঝতে পেরে এ কাজের দায়ীত্বশীল সহকারি প্রকৌশলী মল্লীকা রানীকে অবহিত করে। ওই সময় তিনি কাজের স্থানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে আবার চারদিকে তিন ইন্সি করে বক্স করে বেইস থেকে পুরো পাঁচফুট তৃতীয়বার আবার ডালাই শুরু করে। তার কিছু কলাম ডালাইর পর এলাকাবাসি ধারনা করে এ কাজে আবারো অনিয়ম হচ্ছে। তখন তারা বিদ্যালের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির কাছে বিষটি জানান।
পরে দায়ীত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা শনিবার ভবনের কাছে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়। এব্যাপারে সহকারি প্রকৌশলী মল্লীকা রানীর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, এসব অনিয়মের সত্যতা মিলেছে। এ ভুলটি ঠিকাদারের নির্মান শ্রমিক করেছে। আমরা উপজেলার দায়ীত্বশীল কর্মকর্তা ও ঠিকাদারকে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করবো।
এদিকে কোন সমাধান না করে অসমাপ্ত ফিলার বেইস থেকে পাঁচফুট চারদিকে ৩ ইন্সি করে বস্ক করে একই নিয়মে কাজ শেষ করে।
জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাদেক বলেন, এই অনিয়ম গুলো হয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুদুজ্জামান বলেন, খোযা কংকরের বিষয়টি পিটিএ কমিটির সভাপতিকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি যা যথাযথভাবে সমাধান হয়। সটকলামের অনিয়মের বিষয়টি উজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছি। তিনি ঘটনাস্থলে এসে তা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউ নুজ্জান  জানান, বিষটি আমি জেনেছি। দুই একদিনের মধ্যে কাজ পরিদর্শনে যাবো।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন