প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২ । ১২:১১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তকমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক

এস এম ইকবাল : প্রাইভেট পড়ুয়া পরীক্ষার্থীদের মাঝে গোপনে প্রশ্ন বিতরন করায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মনতলা হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কর্তিপক্ষ।

গত ৬ নভেম্বর রবিবার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর টেষ্ট পরীক্ষা চলাকালে বিজ্ঞান বিভাগের রসায়ন বিষয়ের প্রশ্নপত্র দুই দিন আগেই কৌশলে শিক্ষক ফারুক নিজের কাছে প্রাইভেট পড়ে এমন ১০ পরীক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্র হাতে দেয়। ইতিপূর্বেও শতাধিক পরীক্ষার্থীর মধ্যে এ দশ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা খুব কম সময়ের মধ্যে শেষ হওয়ায় অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মাঝে কৌতুহল সৃষ্টি হয়। পরে পরীক্ষার্থীদের মাঝ থেকে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুকের প্রশ্নফাঁসের কান্ডের কথা জানাযানি হলে বিদ্যালয়ের মধ্যে নানা হৈইচৈই শুরু হয়।

শেষপর্যন্ত বিষয়টি অভিভাবক মহলে জানাজানি হলে বুধবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ সহ-প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী টুম্পা, রুবাইয়া রহমান মনিরা ও রাকিক হোসেন বলেন, ওমর ফারুক স্যারের কাছে যারা প্রাইভেট পড়ে শুধুমাত্র তিনি তাদেরকে পরীক্ষার সময় আগাম প্রশ্ন দেয়। আমরা প্রাইভেট না পড়ে নিজেরা পড়াশুনা করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করতে চাই, অথচ তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে পেল করার স্বপ্ন দেখায়।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, সরকার প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও মনতলা হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক প্রাইভেট পড়াতে ব্যস্তোসময় পার করে আসছে। এসব দেখারমত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিংবা ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ দেখেও যেন না দেখার ভানে রয়েছেন। আমরা অভিভাবকরা প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ বলেন, আমি বিষয়টি জানতে পেরে ম্যানেজিং কমিটির সাথে কথা বলে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। যে বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়ের পরীক্ষা আবার নতুন করে গ্রহন করা হবে।

অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক বলেন, আমি হাতে লিখে দিয়েছি, তবে প্রশ্নের সাথে যে মিলে গেছে তা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষ্যা অফিসার শাহ আলী রেজা আশ্রাফি জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকরে বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসারের নিদের্শে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সোমবার তদন্ত কমিটি তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার পর নিয়ম অনুযায়ী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন