প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৩ । ২:৫২ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মাসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ১৪৩নং মধ্য সাদিপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মাসাৎসহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ওই বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ও সহ-সভাপতি মো.হেলাল মিয়া প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মাসাৎ, অদক্ষতা, বিদ্যালয় পরিচালনায় ব্যর্থ ও বিদ্যালয়ের পরিচালনা সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়তির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করার বিষয়ে চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার বরারব লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য যাহার অনুলিপি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারি শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রেরন করেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ মার্চ সোমবার দুপুরে মধ্য সাদিপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার সুভাস চন্দ্র সেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতে সরেজমিনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মাসাৎ, সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়তি মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করেন। তদন্তকালে অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা জানান জামাল হোসেনের মতো অদক্ষ,অযোগ্য প্রধান শিক্ষক এ পদের যোগ্য নয়। জরুরি ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক জামাল হোসেনকে বদলী করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য জামাল হোসেন ও খোরশেদ আলম জানান, প্রধান শিক্ষক জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ ও উন্নয়ন মূলক কাজের অর্থ সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়তির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মাসাৎ করেন। তাছাড়া গত দুই বছর যাবাত পরিচালনা পর্ষদের কোনো সভা না করেই প্রধান শিক্ষক তার একক সিদ্ধান্তই বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সহ-সভাপতি মো.হেলাল মিয়া জানান, বর্তমান সভাপতির পূর্বে আমি থাকাকালীন নগদ ৭৫ হাজার ও ডিজিটাল হাজিরার জন্য ৩০ হাজার টাকা বিদ্যালয়ের নামে ব্যাংকের যৌথ একাউন্টে জমা ছিলো, প্রধান শিক্ষক জামাল হোসেন কাউকে না জানিয়ে সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়তি করে ওই টাকা আত্মাসাৎ করেন।

প্রধান শিক্ষক মো.জামাল হোসেন জানান, আমি কোনো বিদ্যালয়ের টাকা আত্মাসাৎ করিনা। সরকারি সকল অনুদান বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজে লাগিয়ে ব্যয় করেছি।

উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার সুভাস চন্দ্র জানান, অভিযোগ পেয়ে গত সোমবার বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতে প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম করি ও বর্তমানে অভিযোগের তদন্ত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার এএইচএম শাহরিয়া রসূল জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন