প্রকাশের সময়: বুধবার, ৩ মে, ২০২৩ । ১২:১৪ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ভাঙা সেতু দিয়ে চলছে যানবাহন, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

এস. এম ইকবাল
ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সরখাল-পাটওয়ারী বাজার সড়কের বালিথুবা রাস্তার মাথায় নির্মিত সেতুটি। তিন দশক আগের নির্মিত এ সেতু তিন ইউনিয়নের প্রায় বিশ হাজার  মানুষের চলাচলের একমাত্র পথ।
ফরিদগঞ্জের সরখাল-পাটওয়ারী বাজার সড়কের বালিথুবা রাস্তার মাথায় প্রায় ৩০ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করে ফরিদগঞ্জ এলজিইডি। এখন সেতুটি দিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সেতুটির স্লাবের মাঝখানে গর্ত হয়ে গেছে। ফাটল দেখা দিয়েছে বিভিন্ন অংশে। ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন পথচারীরা।
স্থানীয়রা জানান, বিকল্প রাস্তা না থাকায় সেতুটি দিয়ে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের প্রায় বিশ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। সেতুটির ওপর দিয়ে ছোট-বড় প্রায় পাঁচ শতাধিক যানবাহন চলাচল করে। এরই মধ্যে সেতুর দুই বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে।
জীবিকার প্রয়োজনে লোকজন ট্রাক, মাইক্রোবাস, সিএনজি, অটো রিকশা-ভ্যানে ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু পারাপার হচ্ছেন। যে কোনো মুহূর্তে সেতুটি ধসে পড়ে হতাহতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় লোকজন। প্রায় দুই মাস আগে একজন অটোরিকশা চালক পারাপারের সময় গর্তে পড়ে গাড়ি ভেঙে যায় এবং অটোরিকশাতে থাকা যাত্রীরা আহত হয়।
বালিথুবা আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানায়, তারা প্রতিদিন এই ব্রিজ পার হয়ে স্কুলে যায়। তবে এ ব্রিজ পার হওয়ার সময় সেখান থেকে পড়ে যাওয়ার ভয়ে থাকে।
স্থানীয় বালিথুবা ও পাটওয়ারী বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, ব্রিজটা প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ভেঙ্গে এভাবেই পড়ে আছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও কার্যত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না।
তারা আরও জানান, একদিকে দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতির কারনে ব্যবসা খারাপ যাচ্ছে, অন্যদিকে এ ব্রিজ ভাঙ্গার কারনে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ এম হারুন অর-রশিদ বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের মাসিক মিটিংয়ে কয়েকবার উপস্থাপন করছি এবং উপজেলার নির্বাহী অফিসার গুরুত্বতার সহিত দেখার জন্য উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দিয়েছে। সে আলোকে সেতুটি পরিদর্শন করেছে তারা।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবরার আহমেদ জানান, সেতুটি আমরা পরিদর্শন করেছি এবং অচিরেই সেতুটি সংস্কার করা হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন