প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৩ । ১০:৪৯ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসতঘর নির্মাণের পায়তারা

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব

মতলব দক্ষিণে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক বসতঘর নির্মাণের পায়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ আলাউদ্দিন গংয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মতলব দক্ষিণের নারায়ণপুর পৌরসভার পুরণ গ্রামে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশংকা করছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

মামলা এবং ভুক্তভোগীর অভিযাগসূত্রে জানা গেছে, মতলব দক্ষিণের নারায়ণপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের পুরণ গ্রামের বাসিন্দা আবু তাহের (অজি) হাজীর সাথে একই বাড়ির আলাউদ্দিন গংদের সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে আবু তাহের অজি গত ২২ নভেম্বর চাঁদপুর মোকাম বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করেন। যার নং ১৩৬৪/২০২৩।

পরে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধপূর্ণ জমিতে বসতঘর নির্মাণ না করতে ও উভয় পক্ষকে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে আদালতের আদেশ বজায় রাখার নির্দেশ দেন বিজ্ঞ আদালত। কিন্তুু আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বিবাদী আলাউদ্দিন হাল ২৮১নং পুরণ মৌজার বিএস ১১৫নং খতিয়ানভূক্ত নালিশী হাল ৪০৪নং দাগে ১৭ শতাংশ ভূমি অন্দরে ০-৫০০ একর ভূমির মধ্যে জোরপূর্বক বসতঘর নির্মাণ কাজ করার পায়তারা করছেন বলে অভিযোগ উঠে।

এ বিষয়ে আবু তাহের অজি জানান, বিগত ৩০ বছর আগে আলাউদ্দিনের মা ও ভাইয়ের কাছ থেকে আমি এই জায়গা ক্রয় করি। এরপর গত ৩০ বছরেও আমাকে ক্রয়কৃত জমি বুঝিয়ে না দিয়ে জোরপূর্বক বসতঘর নির্মাণ করছে আলাউদ্দিন। আমি আলাউদ্দিন গংদেরকে একাধিকবার বলেছি আমার জায়গাটি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। বিভিন্নভাবে তাদেরকে বুঝানোর পর ব্যর্থ হয়ে আমি আদালতে মামলা করেছি। মামলার করার পর আলাউদ্দিন গং ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বসতঘরেও তালা দিয়েছে। তাই আমি যাতে সুষ্ঠু বিচার পাই এবং আমার জমি আমি বুঝে পাই তার দাবি জানাচ্ছি আদালতের কাছে।

বিবাদী আলাউদ্দিন বলেন, এই জায়গা আমার মায়ের পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া এবং আমার ক্রয়কৃত জায়গা। আমি ঘর উঠালেও সমস্যা নেই। আমার ঘর তার জায়গায় পরলে আমি ঘর সরিয়ে দিবো। সে জায়গা কিনছে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে কিন্তু মামলা করছে আমার বিরুদ্ধে। আদালতে মামলা করছে আদালতের রায়ের পরেই এই জায়গায় ঘর তৈরি করবো আমি।

এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার এসআই মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, উভয় পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে এবং আদালতে এ ঘটনার একটি প্রতিবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে। বিবাদী বসতঘর নির্মাণের চেষ্টা করছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান আদালতের আদেশ অমান্য করে ঘর নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে আদালত মামলা নিবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন