প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪ । ৯:৩১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় সরকারি খাল খনন বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি
কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের গুলবাহার গ্ৰামে ফসলি জমি ও বসতবাড়ির মাটি কেটে খাল খনন পরিকল্পনায় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে এলাকাবাসী। এর জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে  উপজেলা পরিষদ, প্রশাসন, কাজের সংশ্লিষ্ট দপ্তর উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা ।
অভিযোগ সূত্র জানা গেছে, গুলবাহার মৌজার উত্তর পশ্চিম প্রান্ত হতে দক্ষিন পশ্চিম প্রান্ত পযন্ত বর্তমান রাস্তার পূর্ব পার্শ্ব সংলগ্ন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি বিদ্যমান। অনেক বছর আগে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে জমির মালিকগণ অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এখন যদি খাল খনন করা হয় তাহলে জমির মালিকগণ আবারো ক্ষতির সম্মুখীন হবে। খান খনন, মাটি কাটতে হলে জমির সকল মালিকগণের জমির সীমানা নির্ধারন হওয়া প্রয়োজন। বর্তমান নালা, খালটি রেকর্ডভুক্ত ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মধ্যে অবস্থিত। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মধ্যে খাল খনন,মাটি কাটা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেন।
সরকারি বিধি বিধান ও খাল খনন আইন অনুযায়ী কাজ করলে অভিযোগকারীদের কোন আপত্তি নাই। ভূমি জরিপ (সিএস, এস এ ও বি এস) অনুযায়ী খালের জায়গার অবস্থান রাস্তার কিছু অংশ এবং রাস্তার ঢালের মধ্যে অবস্থিত।
এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় সরকারের অধীনে উপজেলা প্রকৌশল এর অধিদপ্তরের  পক্ষ থেকে খাল খননের উদ্যোগ নেয়া হয়। এই খালটি মূলত ব্যক্তি মালিকানা জায়গার উপর দিয়ে গিয়েছে। এ স্থানে খাল খনন করলে  কৃষি জমি, বসতবাড়ি, গাছপালা ও দোকান  অনেক ক্ষয়ক্ষতি হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী মারফত আলী মজুমদার, মাসুদ রানা,কৃষক জাহাঙ্গীর খান, বেলায়েত ও ইব্রাহিম খান সহ অনেকে জানান,এখানে খাল খনন করা হলে কৃষকের জমি, বসতবাড়ি ও গাছ গাছালি নষ্ট হবে।  এতে লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতি হবে আমাদের। এই খাল খনন সরকারি নির্দিষ্ট জায়গার উপর দিয়ে গেলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। বর্তমানে যেখান থেকে কাজ শুরু করার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছে ওই স্থানে খনন বন্ধ হ‌ওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
মারফত আলী মজুমদার আরো জানান, গতকাল বুধবার বিকেলে প্রশাসন থেকে কোন নোটিশ না করে ঠিকাদারের লোকজন মাটি কাটার বেকু দিয়ে দোকানপাট ভেঙ্গে দেয়।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান শিশির জানান, এখনো পর্যন্ত আমি কোন লিখিত অভিযোগ হাতে পাইনি। যদি পরিষদে অভিযোগ দিয়ে থাকে হাতে আসলে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলিম লিটনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন