প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৪ । ৯:৪৪ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সং/ঘ/র্ষ, ৪ রাউন্ড গুলি

নিজস্ব প্রতিনিধি
ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে পুুলিশ শর্টগান থেকে চার রাউন্ড গলি ছুঁড়েছে। ২নং বালিথুবা (পূর্ব) ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপিত, ইউপি চেয়ারম্যান ও ঈগল প্রতীকের প্রার্থী শামছুল হক ভূঁইয়ার অনুসারি হারুনুর রশিদ ও বর্তমান এমপি মুহম্মদ শফিকুর রহমানের অনুসারি জিএম হাছান তাবাসসুম’র সমর্থকদের ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে দুপুর ১২ ঘটিকা নাগাদ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে চেয়ারম্যান ভিজিএফ এর চাল বিতরণের জন্য চেয়ারম্যান চাঁদপুর থেকে ইউপি কার্যালয়ে যান। সেখানে আগে থেকে পরিষদ দখলে রাখেন ইউপি নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও আওয়ামীলীগ নেতা জিএম হাছান তাবাচ্ছুম ও তার লোকজন। চেয়ারম্যান কার্যালয়ে পৌঁছে চাল বিতরণের চেষ্টা করলে উভয়ের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৭/৮ জন আহত হন।
খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার পর পুলিশ শর্টগান থেকে চার রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এক পর্যায়ে, চাল বিতরণ নির্বিঘ্ন করতে উভয় পক্ষকে ইউনিয়ন কার্যালয় ছাড়তে বাধ্য করে।

সংঘর্ষে আহতরা হলেন, পুলিশের কনস্টেবল রেজাউল ও রাকিব, ফয়েজ উল্লা খান, পিতা: মনির হোসেন, শরাফত উল্লা খান, পিতা: আইউব আলী খান, আরজু বেগম, ইতিসহ আরও অনেকে।
ইউপি কার্যালয়ে অবস্থান গ্রহণের বিষয়ে আওয়ামীলীগ নেতা জি এম হাসান তাবাচ্ছুম বলেন, চেয়ারম্যান যাতে ভিজিএফ চালের কার্ড নিয়ে কোন অনিয়ম করতে না পারে সেজন্য আমরা পরিষদে অবস্থান নিয়েছি।এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান এইচ এম হারুনুর রশিদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে যাতে আসতে না পারি। এ জন্য তাবাচ্ছুম ও তার দলবল গত তিন মাস ধরে আমাকে নানাভাবে বাধা বিপত্তি প্রদান করছে। ভিজিএফ চালের কার্ডের একটি অংশও তারা নিয়ে গেছে। আমি তাই, অদ্য পরিষদের আসার আগে কাল সোমবার পুলিশ সুপার, ইউএনও মৌলী মন্ডল, ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত আভিযোগ করেছি। এরপরও আমি হামলা থেকে রেহাই পাইনি।

ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম বলেন, চাল বিতরণের সময় ঝামেলা হতে পারে জেনে আমরা ফোর্স পাঠিয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা চার রাউন্ড গুলি ছুঁড়েছি। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে মামলা দায়ের করা হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন