প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৪ । ৬:০৯ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ঘুমন্ত মাকে খু’ন করে পালিয়েছে ছেলে

এস এম ইকবাল
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ছেলের হাতে মা খুন হয়েছেন। খুনের সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থ থেকে মৃত দেহ উদ্ধার করেছেন।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের খান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
খুন হওয়া রানু বেগম (৫৫) খান বাড়ির আতর খানের স্ত্রী। ঘাতক ছেলে রাছেল (২২) ঘটনার পর পলাতক থাকায় তাকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
নিহতের স্বামী আতর খাঁন বলেন, আমার ৩ মেয়ে ও ২ ছেলের মধ্যে রাছেল সবার ছোট। গত কয়েকদিন যাবত তাকে বিয়ে করানোর জন্য আমাদেরকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সে আমাকেও গত কয়েকদিন পূর্বে মেরেছে। আমি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বাবুর্চির কাজ করি। আমার ছেলে রাছেল দুপুর ২ টা ৪৯ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে বলে তার মাকে কে যেন ঘরে জবাই করে রাখছে। তখন আমি নিশ্চিত হয়েছি, আমার স্ত্রী তার সন্তানের হাতেই খুন হয়েছে। ফোন কেটে সাথে সাথে আমি বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী রানু বেগমের মরদেহ বিচানায় পড়ে আছে। আমার ছেলে রাছেল পালিয়ে গেছে। পরে আমার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে পুলিশকে খবর দেয়।
যানা যায়, ঘাতক রাছেল গত কয়েক বছর পূর্বে ঢাকার একটি বাসায় দারোয়ানের চাকুরী করতো। তার মানসিক সমস্যা থাকায় তাকে ওই বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে সে গ্রামের বাড়িতে এসে থাকতো।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান হোসাইন আহমেদ রাজন শেখ বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছি। আমি জানতে পেরেছি নিহতের ৫ সন্তানের মধ্যে রাছেল সবার ছোট। বড় ছেলে ফারুক গত প্রায় ৫ বছর যাবত ঢাকাতে থাকে। বাড়িতে বাবা-মায়ের খোঁজ খবর রাখেন না। বাকি ৩ মেয়ের বিয়ে হওয়াতে তারা স্বামীর বাড়িতে থাকে। রাছেল ফরিদগঞ্জ বাজারে একটি মুদি দোকানে শ্রমিকের কাজ করে। গত কয়েকদিন যাবত সে তাঁর বাবা-মাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে তাকে বিয়ে করানোর জন্য। যদি তাকে বিয়ে না করায়, সে বাবা-মাকে খুন করে ফেলবে। আমি চাই সঠিক তদন্ত করে এই হত্যার বিচার করবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, হত্যার সংবাদ শুনে  ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত রানু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার শিকার রানু বেগমের স্বামী আতর খাঁন ও তার মেয়ে শাহিনের বক্তব্যনুযায়ী নিজের ছোট ছেলে রাছেল কর্তৃক হত্যার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। অভিযুক্ত রাছেল পলাতক রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার চেস্টা চলছে। এ বিষয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধিন আছে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন