বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক কাজী শামসুদ্দিন আহমেদ’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২৩ সালের ২১ আগষ্ট চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভার বেলতলা গ্রামে নিজ বাড়িতে এশার নামাজ পড়তে যাওয়ার পূর্ব মূহুর্তে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি জমান সকলের শ্রদ্ধাভাজন কাজী শামসুদ্দীন আহম্মেদ।
জানা যায়, কর্মজীবনে কাজী শামসুদ্দিন আহমেদ চট্টগ্রামের কাপ্তাই পাওয়ার হাউজ, রাজধানী ঢাকায় ব্যবসা ও সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। জীবদ্দশায় ছিলেন অত্যান্ত সৎ ও ন্যায়পরায়ণ।
তিনি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের গর্ভনিংবডির সভাপতিসহ বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। একজন ন্যায়পরায়ণ মানুষ হিসাবে সমাজের মানুষের কাছে তিনি বেশ সমাদৃত ছিলেন।
স্থানীয় যেকোন সামাজিক ও ধর্মীয় কাজে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পষ্টভাষী-বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসাবে ছিলেন অসাধারণ।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন তাঁর বড় ছেলে বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক মোস্তফা কামাল মুকুল।

এস. এম ইকবাল