প্রকাশের সময়: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪ । ৮:৩৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মেঘনা নদীতে বালু তোলা নিয়ে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১

নিজস্ব প্রতিনিধি
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ বড়চর এলাকায় মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু তোলাকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আরিফ উল্লাহ সরকার (৫০) নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ আরিফ দক্ষিণ বড়চর এলাকার ইদ্রিস আলী সরকারের ছেলে। তিনি পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
আহতদের নামপরিচয় জানা যায়নি, তবে তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুর্বৃত্তরা মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে বালু উত্তোলন করতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের বাধা দেন।
সে সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে আরিফ গুলিবিদ্ধ হন। সংঘর্ষে আহত হন অন্তত পাঁচজন। গুলিবিদ্ধ আরিফকে ঘটনার পরপরই চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক রফিক হাসান ফয়সাল বলেন, আরিফ উল্যার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়রা গুলি রয়েছে। এছাড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার খাদ্য নালিতে ছিদ্র পাওয়া গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য আরিফকে বুধবার (২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ আরিফের মেয়ে তানজিলা আক্তার বলেন, বাবার পেটে অনেকগুলো গুলি লেগেছে। এখন কীভাবে চিকিৎসা করাব। বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে বাবা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, মেঘনা নদীর বড়চর এলাকায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী ও এখলাছপুর ইউনিয়ন মৎস্যজীবী লীগের সহ-সভাপতি সিদ্দিকের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করে। জানতে পেরে স্থানীয়রা তাদের বালু উত্তোলনে বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়।
এখলাছপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী এ বিষয়ে বলেন ‘গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত আরিফের পরিবারের পাশে আমরা আছি। আগে তার চিকিৎসা করাই। তারপর বাকি বিষয়গুলো দেখবো।
মতলব উত্তর মোহনপুর নৌপুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক কামরুজ্জামান বলেন, সংঘর্ষের বিষয়টি আমি জানি না। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, মতলব উত্তর উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের যৌথ অভিযানে গত ১০ সেপ্টেম্বর একই এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে বাল্কহেড ও ড্রেজারসহ ৩৫ জন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর অপর অভিযানে ২৮ জন আটক হন। এদের বিরুদ্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে নৌপুলিশ পৃথক দুটি মামলা করে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন