প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫ । ৭:৩৯ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের সকল লাইসেন্স বিহীন ও অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ!

নিজস্ব প্রতিনিধি

মহামান্য হাইকোর্টের রিট-নং ১৩,৭০৫ /২২ মোতাবেক চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে চাঁদপুর জেলার সকল ইটভাটার মালিকগনের সাথে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩ মার্চ (সোমবার) সকাল ১১টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে সভায় সভাপতিত্বে করেন ও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

জেলা প্রশাসক বক্তব্যে বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের রিট – নং ১৩,৭০৫ /২২ মোতাবেক চাঁদপুর জেলার লাইসেন্স বিহীন ইটভাটা ও সব অবৈধ ইটভাটা এই মাসের ১৭ মার্চ বন্ধ করতে হবে। যথাযথ আইনের বিধান অনুসরণ করে লাইসেন্স সমূহ করে বৈধ ইটভাট চালাতে হবে। একবার বন্ধ করার পর শক্ত ভাবে মনিটরিং করতে হবে যেনো পূনরায় চালু হলে বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়া ও তদবির বহাল তবিয়তে ব্যবসা করেছেন।

আমি থাকা অবস্থায় তা হবে না। পবিত্রতার সহিত ব্যবসা করুন। আপনার ব্যবসা আপনি করুন আইনকানুন বিষয়ে জেনেশুনে করুন। দেশ বদলানোর সাথে সাথে নিজেকে বদলান। আপনারা কেন হয়রানির শিকার হবেন। তাই নিজ, নিজ থেকে লাইসেন্স বিহীন ইটভাটা ,সব অবৈধ ইটভাটা এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ করতে হবে । যে সকল লাইসেন্স বিহীন ইটভাটা বন্ধ না হবে আমরা জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টে যাবেন।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে গতকাল চাঁদপুর জেলার সকল ইটভাটার মালিকগনের সাথে অভিহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

তিনি বক্তব্যে আরো বলেন, শস্য শ্যামল সোনালী ফসলের বাংলাদেশ, এখন পরিবেশক বিপর্যয়ে হুমকির সম্মুখীন, কৃষি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, যেখানে কৃষকেরা তিন ফসলি জমি চাষ করতে সেখানে এক ফসল উৎপাদন করে। কারন আপনার, ইটভাটা তৈরি করে ফসলি জমি জায়গা ভরাট ও ইট তৈরির জন্য মাটি কেটে নিচ্ছেন। কয়লা দিয়ে ইট পোড়ানো তার রিসিট দিতে হবে। কি পরিমাণ কয়লা, লাকরি ব্যবহার করা হয় তা সঠিক হিসাব দিতে হবে। তাছাড়া পলিথিন সহ বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ মাটির সাথে মিশে পরিবেশ দূষন হচ্ছে।

দেশের, পরিবেশের বা ভবিষ্যত প্রজন্মের ক্ষতি করে কোনো কাজ করা যাবে না। সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুপ্রভাত চাকমা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান পরিচালনায় উম্মুক্ত আলোচনায় ইটভাটার মালিকগন ও প্রতিনিধি জেলা প্রশাসকের প্রতি আরো কয়েক মাসের সময় চাইলেন, কেননা ব্যাংক-বীমা-সমিতি সহ বিভিন্ন জন থেকে ঋণ করে টাকা উত্তোলন করা।

আর এখন যদি এ অবস্থা হয় আমরা পথে বসে যাবো। কিন্তু জেলা প্রশাসক এ ব্যপারে সরকার বা হাইকোর্টের আদেশের বাহিরে আমরা জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর অপরাগ।

সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ শফিক, সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, মামুন মুন্সি, জামাল উদ্দিন মন্টু, কোষাধ্যক্ষ শাহজাহান পাটওয়ারী, সদস্য আফজাল হোসেন, মিজানুর রহমান, গাজী তাজ উদ্দিন আহমেদ সকল সদস্য সহ জেলা সকল ইটভাটার মালিকগন ও প্রতিনিধি।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন