প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫ । ৮:১৬ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তি মেহের গোদা খালের সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও নিগার

মোঃ মাসুদ রানা
শাহরাস্তির ঐতিহাসিক মেহের গোদা খালের সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও নিগার সুলতানা।
তিনি ইতোমধ্যে অত্র উপজেলায় যোগদান করে বিভিন্ন জনহিতকর কাজে হাত দিয়েছেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শাহরাস্তি উপজেলার জন গুরুত্বপূর্ণ এই খালটি ৮০ দশকে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় নিজ হাতে তিনি খনন করেছিলেন। তারপর থেকে আজ অবধি এটি আর দৃশ্যমান খনন বা সংস্কারের আওতায় আসে নাই। এ দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক ব্যক্তি ও বিভিন্ন গুষ্টির আগ্রাসনে খালের বিভিন্ন অংশ দখল হয়ে যায়।
একই সঙ্গে নতুন যুগের দূষন পলিথিন আগ্রাসনে ও উজানের বালি- মাটি নেমে খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট হয়ে নাব্যতা হারিয়েছে। বর্তমানে খালটির  বিভিন্ন স্থানে নালায় পরিনত হয়েছে। এতে করে খালটি সঙ্কুচিত হওয়ার পাশাপাশি ময়লা-আবর্জনায় দূষিত হচ্ছে সেখানকার পরিবেশ। এতে অল্প সময়ে বৃষ্টির পানি টইটুম্বুর হয়ে প্লাবন সৃষ্টি হচ্ছে জনপদে। এক সময় মেহের গোদা খালটি  শাহরাস্তিবাসীর জন্য আশীর্বাদ ছিল।
খাল দিয়ে বৃষ্টি ও বন্যার পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতো। চাঁদপুর ও হাজীগঞ্জ থেকে বড় বড় নৌকায় করে এখানকার ব্যবসায়ীদের জন্য খাল দিয়ে পণ্য আসত। খালের পাড়ে কোনো স্থাপনা ছিল না। ওই অবস্থা থেকে উত্তরণে বিভিন্ন সময় নানান পদক্ষেপ নেওয়া হলেও পানি প্রবাহে সুদিন আসে নাই আজও।
এদিকে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বিজ্ঞ নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট, শাহরাস্তি পৌর প্রশাসক নিগার সুলতানা গত ১ সপ্তাহ ধরে শাহরাস্তি অংশে বহমান ১০ কিঃমিঃ খালের ২ কিঃ মিঃ এলাকার ময়লা-আবর্জনা-পলিথিন (বর্জ) অপসারন সংস্কার কাজ প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করেছেন তিনি।
এতে বিশাল আকৃতির ভেকু মেশিন ব্যবহার করা হয়।
এ সংস্কারের ফলে হারিয়ে যাওয়া খালটির পৌরসভার দুই কিঃমিঃ এলাকার জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার হল। আসন্ন বর্ষায় পৌরবাসীসহ খাল অববাহিকায় বসবাসকারী জনগণ এ সুবিধা পাবেন।
শাহরাস্তি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিগার সুলতানা জানান, ইতিমধ্যে খাল এলাকার কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আইনি প্রক্রিয়ায় ওই দখলীয় খাল পুনরুদ্ধার করে অবৈধ ব্যক্তি ও দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট খালটিও সংস্কার করা হবে।
এদিকে ওই সংস্কার কাজে সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন শাহরাস্তি সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার এবং পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন