গত ২৯ এপ্রিল “হাজীগঞ্জে বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করলো রাজারগাঁওয়ের নাহিদ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের পরিবারেরে দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
আমাদের ছেলে নাহিদ পাটওয়ারী বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত ছিল তার একান্তই পারিবারিক ও ব্যক্তিগত।
নাহিদ পাটওয়ারী স্বেচ্ছায় কোনো অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেননি; তাকে মেয়ের পারিবারিক চাপে সই করানো হয়েছিল।
এছাড়া, নাহিদের মামা শিপন পাটোয়ারী কাউকে হুমকি দেননি—বরং আইনানুগ পথ অনুসরণের কথা বলেছেন।
নাহিদ পাটওয়ারীর পরিবারের দাবী তাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সংবাদকর্মীদের ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে একটি চক্র এমন সংবাদ পরিবেশন।
আমরা এতে সামাজিক, মানষিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনলাইন পত্রিকাটিকে বিষয়টি আরও গভীরভাবে অনুসন্ধান করা উচিত ছিলো বলে আমরা মনে করছি।
প্রকাশিত উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই ।
প্রতিবেদকের বক্তব্য-
‘ বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণীর সঙ্গে চুক্তি, প্রতিষ্ঠিত হয়ে নাহিদের পল্টি!’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি করা হয়েছে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে। সামিয়ার পরিবার প্রতিবেদকের কাছে তথ্য প্রমানাদি দিয়েছেন (যা আমাদের নিকট সংরক্ষিত)। নাহিদের মামা শিপন পাটোয়ারীর দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী “আমার ভাগিনাকে জোর করে স্ট্যাম্পে সই করানো হয়েছে।” প্রতিবেদক দুই বছরেও এই বিষয়ে কেন আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়নি জানতে চাইলে তিনি সঠিক কোনো উত্তর বা জবাব দিতে পারেননি। আমাদেরও প্রশ্ন মেয়ের পারিবারিক চাপে যদি স্টাম্পে সই করানো হয়ে থাকে তাহলে বিগত দিনে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি কেন?
নাহিদ পাটওয়ারীর পরিবার
পূর্ব রাজারগাঁও, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক