প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ । ৯:১১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণ

এস. এম ইকবাল
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের লক্ষীপুর এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিপক্ষের জমিতে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মো. হাসান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
সরজমিনে জানা যায়, উপজেলার লক্ষীপুর মৌজায় বি.এস ৫২০ নং খতিয়ানের হাল ২৮০০ দাগের ১০ শতাংশ ভূমির আন্দরে ২ শতাংশ ভূমি নিয়ে আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা চলমান রয়েছে । গত ৭/৯/২০২৫ তারিখে মামলার বিচারক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদপুর উভয়পক্ষকে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় অস্থায়ী স্থিতাবস্থাসহ শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ প্রদান করেন এবং ৩০ দিনের মধ্যে সহকারী কমিশনার ভূমিকে নালিশী ভূমির দখল বিষয়ে মতামতের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন ও মো. হাসান গংকে কারন দর্শাতে বলেন।
এরপর ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ শান্তি শৃংখলা বজায় রাখাসহ উক্ত নালিশী সম্পত্তিতে স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ এবং স্থিতাবস্থায় থাকতে নোটিশ জারি করেন। কিন্তু কে শুনে কার কথা। কোন নিষেধাজ্ঞা মানতে নারাজ প্রতিপক্ষ মো. হাসান। তিনি পুনরায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যান। বেলায়েত গংকে মারতে তেড়ে আসেন এবং প্রান নাশের হুমকি প্রদান করেন।
মামলার বাদী বেলায়েত হোসেন বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তির মধ্যে হাসান গংরা ২শতাংশ জমিতে আমাদের গাছ-গাছালি কেঁটে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ করে। পরে আমি আদালতের দারস্থ হই। আদালত নালিশী ভূমিতে স্থিতাবস্থা ও নির্মাণ কাজ বন্ধ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশ প্রদান করেন। সে আলোকে আমি স্থিতাবস্থায় থাকলেও হাসান গংরা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে ডাক দিলে আমাদের মারতে তেড়ে আসে এবং প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
বিবাদী মো. হাসান আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলেন, আমি আমার জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করছি। এই জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি প্রশাসনের নির্দেশনা মতেই কাজ করছি।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ এস.আই মো. আরিফুর রহমান সরকার বলেন, আদালতের আদেশে ওই জমিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উভয়কে শান্তি-শৃংখলা বজায় এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোন ধরনের নির্মাণ কাজ না করতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এখন ওই জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করেছে কিনা তা আমার জানা নেই। তবে এ সংক্রান্ত আদালতের যেকোন আদেশ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন