সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরের বিভিন্ন নদীতে মা ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে গত ৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ সহ সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছেন সরকার।
চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়ন ও ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ১৩৮ জন কার্ডধারী জেলের জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (৫ অক্টোবর) সকালে আশিকাটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে চাল বিতরণের উদ্বোধন করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ জামাল উদ্দিন। ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর মানিক এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপজেলা সহকারী মৎস কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের উপস্থিতিতে ৯৫ জেলেকে ২৫ কেজি হারে এক মাসের চাল বিতরণ করেন।

উল্লেখিত সময়ে জেলেগণ যেন মা ইলিশ আহরণ না করেন সেজন্য প্রণোদনা হিসেবে উপকারভোগী জেলেদের মাঝে চাল বিতরণের ট্যাগ অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম দিদার।
এদিকে একইদিন সকালে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে চাল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী মৎস কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান। ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ কুদ্দুছ আখন্দ রোকন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ৪৩ জেলেকে ২৫ কেজি হারে এক মাসের চাল বিতরণ করেন।
উল্লেখিত সময়ে জেলেগণ যেন মা ইলিশ আহরণ না করেন সেজন্য প্রণোদনা হিসেবে উপকারভোগী জেলেদের মাঝে চাল বিতরণের ট্যাগ অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরসাল উদ্দিন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ইব্রাহিম তালুকদার, ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ফয়সাল আহমেদ ভুঁইয়া, ইউপি উদ্যোক্তা ইলিয়াস মিঠু সহ বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী মৎস কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, গত ৪ অক্টোবর থেকে আগামী ২৫ অক্টোবর ২০২৫ খ্রি. সময়ে সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। এসময়ের জন্য কার্ডধারী জেলেদেরকে বিপরীত সংস্থান হিসেবে এই চাল প্রদান করা হচ্ছে।

মাসুদ হোসেন