চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার মালরা গ্রামে মোস্তফা মিয়াকে লক্ষ্য করে সংঘটিত রহস্যঘেরা হামলার ঘটনায় মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দ্রুত ও পেশাদার পদক্ষেপে মামলার তদন্তে নতুন মোড় এসেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
মামলাটি দায়ের হয় গত ২৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে (এফআইআর নং–১৮, জি.আর. নং–১৬৭/২০২৫, ধারা ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/৩৪ পেনাল কোড)। মামলার বাদী আহত মোস্তফা মিয়া নিজেই, যিনি বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার তদন্তে শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবুল বাসার, পিপিএম (বার)-এর নেতৃত্বে একাধিক দল গঠন করা হয়। পুলিশি তৎপরতার অংশ হিসেবে ২৯ অক্টোবর রাতে চাঁদপুর সদর থানার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামী মিজানুর রহমান (৫১)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মালরা গ্রামের নজির আহাম্মদ ভূইয়ার ছেলে ও আহত মোস্তফা মিয়ার ভাতিজা।
আগের সংবাদটি পড়ুন….
শাহরাস্তিতে নামাজে যাওয়ার পথে মুসল্লিকে কু পিয়ে জখ ম
এর আগে একই মামলার আরেক আসামী ফুল বানু (৪৫), মিজানুর রহমানের স্ত্রী, ২৮ অক্টোবর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পারিবারিক ও সম্পত্তি বিরোধ থেকেই হামলার সূত্রপাত।
ওসি মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, “আমরা শুরু থেকেই মামলাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। পুলিশ সদস্যদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান আসামীকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।”
অভিযানকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মিজানুর রহমানকে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, পুলিশ ঘটনাটিকে যেভাবে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে, তাতে খুব শিগগিরই হামলার মূল কারণ ও নির্দেশদাতাদের পরিচয় প্রকাশ পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
শাহরাস্তির এই ঘটনাটি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে, তবে পুলিশি তৎপরতা ও দ্রুত অভিযানের প্রশংসা করছে সাধারণ মানুষ।

নিজস্ব প্রতিনিধি