প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ । ৯:৪৭ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে প্রবাসীর ফ্ল্যাটে গ্রিল কেটে ২০ ভরি স্বর্ণ ও ৫ লাখ টাকা চুরি

অনলাইন ডেস্ক

হাজীগঞ্জে জনবহুল এলাকায় প্রবাসফেরা এক ব্যবসায়ীর বাসায় গ্রিল কেটে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫ লাখ টাকা খোয়া গেছে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজারস্থ মকিমাবাদ এলাকার ছয়তলা ভবন আরএম মঞ্জিল-এর তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আমির হোসেন দীর্ঘ ৩৫ বছর সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটিয়ে গত বছর স্থায়ীভাবে দেশে ফিরে আসেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ও তার ছোট ভাই খোরশেদ আলম হাজীগঞ্জ বাজারে টাইলস ও স্যানিটারি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

জানা যায়, রোববার দুপুরে আমির হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম, ছোট ছেলে ও মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। সোমবার মাগরিবের আগে আমির হোসেন নিজ বাসা থেকে বের হয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান। রাত সাড়ে আটটার দিকে বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান—রুমের তালা ও আলমিরা ভাঙা, ঘর এলোমেলো এবং স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উধাও।

আমির হোসেন জানান, তার চার মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। তিন মেয়ে বিবাহিত, যাদের মধ্যে একজন পর্তুগাল ও আরেকজন জাপানে বসবাস করেন। চোর বা চোরচক্র রান্নাঘরের জানালার গ্রিল কেটে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তিন কক্ষের মধ্যে দুই কক্ষের তালা ও আলমিরা ভেঙে তার স্ত্রী ও চার মেয়ের প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং আনুমানিক ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, ভবনের পূর্ব পাশটি অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং পাশাপাশি দুটি ভবন থাকায় খুব সহজেই চোরেরা তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে প্রবেশ করতে পেরেছে।

চুরির খবর পেয়ে আমির হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে অচেতন হয়ে যান। জনবহুল এলাকায় এমন চুরির ঘটনায় ভবনসহ আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে সোমবার রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা, হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব শর্মাসহ পুলিশের একাধিক টিম। তারা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ভবন ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।”

ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন