ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর জেলা-র পাঁচটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৪৪(৩) ধারা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়-পরাজয়ের কারণে অধিকাংশ প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে পারেননি।
জেলায় ৫০ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন ১১ জন প্রার্থী। অন্যদিকে ২৫ জন প্রার্থী ১৫ হাজারের নিচে ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের হিসাব মতে, চাঁদপুরে ভোটার ২৩ লাখ ৩১হাজার ১শ’ ৯৫। এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৫৩.০৫% ভোটার।
চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. নাসির উদ্দিন, গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আজাদ হোসেন, জাতীয় পার্টির হাবিব খান ও গণঅধিকার পরিষদের মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর আশ্রাফীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনে লেবার পার্টি মনোনীত প্রার্থী নাসিমা নাজনীন সরকার, রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ফয়জুন্নুর, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোহাম্মদ গোলাফ হোসেন, নাগরিক ঐক্য মনোনীত প্রার্থী মো. এনামুল হক, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মানসুর আহমদ, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. এমরান হোসেন মিয়া জামানত হারিয়েছেন। এ আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন ১১ দলীয় (এলডিপি) ছাতা প্রতীকের প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেনকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী