প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৯:১৯ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রামপুরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে রাস্তার কাজ, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আলগী মিজি বাড়ি হইতে কালার বাড়ির সামনে দিয়ে তপদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্ত প্রশস্ত ও পাকা করণের কাজটি দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। বর্তমানে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থী সহ পথচারীরা হেঁটে কিংবা যানবাহন নিয়ে যাতায়াতে ভোগান্তি ও বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সড়কের আশপাশে থাকা ২-৩টি মাদ্রাসা, কিন্ডার গার্টেন সহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী এবং বসবাসরত মানুষসহ সড়ক ব্যবহারকারী সবাইকে। সড়কের কাজের ধীর গতির কারনে ছোট বড় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা।

এ বিষয়ে আলগী এলাকার বাসিন্দা এম.আই. খলিল বলেন, ‘কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে। ঠিকাদারের খামখেয়ালীপনায় ধীরগতিতে কাজ করায় আমরা খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। বর্তমানে রাস্তাটিতে ইটের খোয়া ফেলে রেখে তা সমান না করায় আমাদের ভোগান্তির আর শেষ নেই। প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা।’

একই এলাকার বাসিন্দা মো. মাছুম বলেন, ‘রাস্তার কাজ শুরু দেখে ভালো লেগেছিল। আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাদেরকে সহযোগীতা করে আসছি। কিন্তু কাজ শুরুর প্রায় দেড় বছরেও তেমন অগ্রগতি না হওয়ায় আমাদের ভোগান্তির আর শেষ হলোনা। আমরা ঠিকাদার শাহাদাত ভাইকে ফোন করলে তিনি কাজ শেষ করে দিবেন বলে এবং দুই তিন দিন কাজ করে আবার পূনরায় বন্ধ রাখেন। বর্তমানের ইটের খোয়া ফেলে রেখে সমান না করায় এবং রাস্তা কেটে কালবার্ট করে মাটি দিয়ে রাস্তা সমান না করে দেওয়ায় যানবাহন নিয়ে এবং হেটেও যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’

বেশ কয়েকজন পথচারী ও শিক্ষার্থীরা জানানা, রাস্তার কাজটি ঠিকমতো না করায় আমাদের খুবই কষ্ট হচ্ছে। প্রতিনিয়তই আমরা ছোট বড় দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন ভাবে ভোগান্তির স্বিকার হচ্ছি। এরাস্তা দিয়ে যানবাহনে চলাচলতো দুরের কথা হাটাচলা করাই কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাই, তারা যেন এ রাস্তার কাজটি দ্রুত শেষ করার ব্যবস্থা নেন। না হলে আমরা খুবই সমস্যায় পড়ে যাবো।

এ বিষয়ে ঠিকাদার মো. শাহাদাত হোসেন জানান, বর্ষা মৌসুমের কারনে কাজটি করতে দেরি হয়েছে। কাজ বেশি বাকি নেই, মার্চ মাসের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করবো।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন