প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ । ৯:৩২ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল খননে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি

কচুয়া উপজেলার সাচার ইউনিয়নের সাচার- গৌরিপুর সড়কের পেট্রোল পাম্প থেকে সাবেক এমপি ডাক্তার শহীদুল্লাহর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার খাল খননে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই ইউনিয়নের সাচার,নয়াকান্দি, রাগদৈলসহ কয়েকটি গ্রামের কৃষকদের সুবিধা দিতে খাল খননে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। অকাল বন্যার হাত থেকে স্থানীয় কৃষকদের ফসল রক্ষা ও বছরব্যাপী তাদের চাহিদামতো সেচ সুবিধা নিশ্চিতে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড এ প্রকল্প হাতে নেয়।

চলমান ২০২৫-২০২৬ সালের অর্থবছরের ওই প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছে স্থানীয় কৃষক ও উপকারভোগীরা। বর্তমানে খালটি খনন করা হয়েছে নাম মাত্র। খালের গভীরতা ও প্রশস্ততার কাজ নিয়ম মেনে করা হয়নি বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, খাল খননের উদ্দেশ্যে কয়েকদিন আগে খালের শুরু থেকে দুই পাড়ে ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলা হয়েছে এবং কৃষি ফসল নষ্ট করা হয়েছে। খালের পাড় খাড়া (তির্যক) ভাবে খনন করায় যে কোন সময় পাড় ভেঙ্গে পড়ে খাল ভরাট হয়ে যাবে। বড় পরিসরে খাল খনন করা হবে এবং এর ফলে সেচ সুবিধা বাড়বে এমন আশায় ক্ষতিগ্রস্থরা তখন বাধা দেননি। কিন্তু বর্তমানে ভেকু মেশিন দিয়ে দায়সারাভাবে খনন করায় কৃষকরা একদিকে কৃষি ফসল হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন, অন্যদিকে খালের সুফল থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

নয়াকান্দি গ্রামের কয়েকজন কৃষক বলেন, নিয়ম মেনে খনন করা হলে কয়েক হাজার কৃষক সেচ সুবিধা ও মাছ চাষের সুযোগ পেত। কিন্তু এখন যে অবস্থা, তাতে কৃষকদের কোনো উপকারেই আসবে না এই খাল।

রাগদৈল গ্রামের কৃষকরা জানান, খাল যে পরিমাণ গভীর করার কথা তা করা হচ্ছে না। খালে পানি রেখেই মাটি কাটা হয়েছে। পানির মধ্যে থেকে কী পরিমাণ মাটি কাটা হচ্ছে তা বুঝা যায় না। ধারণার ওপর পানির মধ্যে মাটি কাটা হচ্ছে। আর খালের তলা তো সমান হওয়ার প্রশ্নই আসে না। খরা মৌসুমে পানি থাকার কথা থাকলেও তা হবে না। এতে সরকারের যে উদ্দেশ্য তা ভেস্তে যাবে।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (প্রাক্কলনিক) জসিম উদ্দিন মঠোফোনে বলেন, এই খাল খনন করার সময় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (শাখা কর্মকর্তা) মোঃ সোহানুর রহমান উনি দায়িত্ব ছিলেন।

খালের যে পরিমাণ খননের কাজ হয়েছে ওই পরিমাণ মেজারমেন্ট করে অধিদপ্তরে প্রকল্পের বরাদ্দ করবে। তবে অনিয়মের বিষয়টি আমার জানা নেই, অনিয়ম করার কোন সুযোগ নেই।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন