প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ । ১১:৩৫ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মহামায়া শিক্ষানবিশ আইনজীবীর সীমানাপ্রচীর ভাংচুর ও বসতঘরে লুটপাটের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি

চাঁদপুরের মহামায়া এলাকায় শিক্ষানবিশ আইনজীবীর সীমানাপ্রচীর ভাংচুর ও বসতঘরে লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া যায়। ১৬ মে শনিবার সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড লোধেরগাঁও গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় ভাংচুর ও হুমকি দমকিতে আতঙ্কে রয়েছে শিক্ষানবিশ আইনজীবী পরিবার। এনিয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর কোর্টের শিক্ষানবিশ আইনজীবী লোধেরগাঁও গ্রামের ইউছুফ আলী পাটওয়ারীর ছেলে মাহাবুব পাটওয়ারী জানান, তার পিতা ইউছুফ আলী পাটওয়ারী (হোল্ডিং নং ৪০৯) ক্রয়কৃত সম্পত্তি অর্থাৎ লোধেরগাঁও মৌজার সিএস ও দলিল মূলে এলাকার রুহুল আমিন এবং তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম থেকে খরিদ সূত্রে ২ দলিলে মোট সোয়া ১১ শতাংশ সম্পত্তি তারা ২ ভাই মালিক হয়ে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ পাশ্ববর্তী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানিক চন্দ্র দাসের তিন ছেলে স্বপন চন্দ্র দাস, তপন চন্দ্র দাস ও পাপন চন্দ্র দাস এবং তপনের স্ত্রী দিপা রানী বিভিন্ন সময় আমাদের সম্পত্তির উপর বিভিন্নভাবে অন্যায় অত্যাচার অব্যাহত রাখে। এনিয়ে প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের কাছে বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করে। আমরা ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলে থাকা সত্ত্বেও সব সময় আমরা চাঁদা দিতে অস্বিকার করি।

কিন্তু আমি (মাহাবুব পাটওয়ারী) পরিবার পরিজন নিয়ে চাঁদপুরে অবস্থান থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষ স্বপন চন্দ্র দাস গং ১৬ মে সকাল ৯ টার সময় সন্ত্রাসী কায়দায় আমাদের সম্পত্তিতে থাকা কলা গাছ কাটাসহ ফলফলাদি লুটপাট, বসতঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর, সম্পত্তিতে নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ফেলে। এছাড়া আমাদের সম্পত্তির উপর তাদের টয়লেটের পাইপ খুলে দিয়ে ময়লা ছেড়ে দেয়। এসময় আমাদের ভাড়াটিয়া বিষয়টি আমাকেজ জানালে আমি বাড়িতে এসে দেখি এবং তাদের জিজ্ঞেস করতে গেলে স্বপন চন্দ্র দাস গং আমাদের উপর আক্রমন করে। এছাড়া আমাদেরকে মেরে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয়। এ নিয়ে আমরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এছাড়া আমাদের সম্পত্তি বেদখলের আশঙ্কার আতঙ্কে রয়েছি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী রোকেয়া বেগম, এমরান হোসেন, বাবুল বেপারী, সোহেল বেপারী, তুহিন বেপারীর কাছে জানতে চাইলে উক্ত ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে সত্যতা পাওয়া যায়।

এব্যাপারে অভিযুক্ত তপন চন্দ্র দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি ভাংচুর ও হুমকি দমকিসহ সকল অভিযোগ কথা স্বিকার করেন। কেন এমন করলেন জানতে চাইলে তিনি তাদের নিজেদের সম্পত্তি দাবি করে এসব করেছেন বলে জানান।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন