প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬ । ৮:৫০ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝুঁকির সাঁকো পেরিয়ে স্কুল-হাট-বাজার, দুর্ভোগে কচুয়ার দুই গ্রামের বাসিন্দারা

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া

কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের মহদ্দিরবাগ,দেবিপুর দুই গ্রামের ১ হাজার মানুষের ভরসা একটি মাত্র বাঁশের সাঁকো। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই সাঁকো পার হচ্ছে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীরা।

বর্ষার মৌসুমে খালের পানি বেড়ে গেলে সাঁকোর অনেকটাই তলিয়ে যায়। তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে চলাচলের একমাত্র ভরসা স্থানীয়দের।

বিশেষ করে রোগীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি আতঙ্কের। সাঁকো পার হয়ে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার সময় দুর্ভোগের সীমা থাকে না তাদের। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে গ্রামবাসী কষ্ট করে যাতায়াত করলেও, এখানে ব্রীজ বা কালভার্ট নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছে আবেদন করা হলেও সমস্যা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। ফলে সাঁকো পারাপারের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

ভুক্তভোগী মহদ্দিরবাগ গ্রামের বাসিন্দা আলমাছ ও লোকমান জানান, বিগত দিনে অনেক সরকার ক্ষমতায় এলেও আজ পর্যন্ত আমাদের দুই গ্রামের সংযোগ ও যাতায়াতের জন্য একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি। এটা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। কিন্তু নির্বাচন এলেই খালটির ওপর ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা হাজির হয় গ্রাম দুটির ভোটারদের কাছে। সেই প্রতিশ্রুতি আজ পর্যন্ত পূরণ হয়নি।

তারা আরো জানান,শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষি ক্ষেত্রেও গ্রামের লোকজনকে নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। এ নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরীজীবী, হাঁট-বাজারের লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। তবে এখানে একটি ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মিত হলে এ লাকার মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে।

কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানান,এই সাঁকোটি দিয়ে দুর্ভোগের মধ্যে প্রতিদিনই শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোর থেকে পড়ে আমরা ব্যথা পেয়েছি এবং সাথে থাকা বই-খাতা ও পোশাক ভিজে যায়। ফলে সেদিন আর আমরা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারি না । একটি ব্রিজ হলে নির্বিঘ্নে আমরা স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসায় যেতে পারবো।

কাদলা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ মোশারফ হোসেন জানান, গ্রামের লোকজনের চলাচলের ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটির জায়গায় ব্রিজের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ও উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) অফিসের সাথে পরামর্শ করে গ্রামবাসীদের আশাটি পূরণ করতে চেষ্টা করবো।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন