প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬ । ৯:৪৮ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে বোগদাদ পরিবহনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচলকারী বোগদাদ পরিবহনের কয়েকটি বাসের জ্বালানি ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সিএনজিচালিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বাসগুলোর ভাড়া আগের মতোই রাখা এবং রূপান্তর প্রক্রিয়ার বৈধতা ও নিরাপত্তা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সড়কটির নিয়মিত যাত্রীরা জানান, সম্প্রতি কিছু বাসে ডিজেলের পরিবর্তে সিএনজি ব্যবহার শুরু হয়েছে। কিন্তু জ্বালানি খরচ কমে যাওয়ার পরও যাত্রীদের কাছ থেকে পূর্বের সমপরিমাণ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মতে, পরিচালন ব্যয় কমে গেলে তার প্রতিফলন ভাড়ার ক্ষেত্রেও থাকা উচিত।

একাধিক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, বাসগুলোর নিচে স্থাপন করা গ্যাস সিলিন্ডার ও পরিবর্তিত যন্ত্রাংশ দেখে অনেকের মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এসব যানবাহন প্রয়োজনীয় কারিগরি পরীক্ষা ও অনুমোদন পেয়েছে কি না, তা প্রকাশ্যে আনার দাবি জানান তারা।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকরাও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, গণপরিবহনে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে জ্বালানি রূপান্তরের পর সংশ্লিষ্ট যানবাহনের ফিটনেস, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও নিরাপত্তা মানদণ্ড কঠোরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

পরিবহন খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিজেলচালিত যানবাহনকে সিএনজিতে রূপান্তরের সুযোগ থাকলেও এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর অনুমোদন, কারিগরি পরিদর্শন এবং নির্ধারিত নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ বাধ্যতামূলক।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিআরটিএর এক কর্মকর্তা বলেন, কোনো যানবাহনের জ্বালানি পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং হালনাগাদ ফিটনেস সনদ থাকা আবশ্যক। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বোগদাদ পরিবহনের কুমিল্লা অঞ্চলের ম্যানেজার জসিম উদ্দিন জানান, ঈদের পর কয়েকটি বাস সিএনজিতে রূপান্তর করা হয়েছে। তবে কতগুলো বাস এ প্রক্রিয়ার আওতায় এসেছে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে পারেননি।

ভাড়া সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের পরিবহনের ভাড়া অন্যান্য অনেক ডিজেলচালিত বাসের তুলনায় কম।

তবে যাত্রীদের দাবি, শুধু মৌখিক ব্যাখ্যা নয়, বরং সিএনজিতে রূপান্তরিত বাসগুলোর অনুমোদন, ফিটনেস ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে জনমনে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন