যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত মোহাম্মদপুর মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট সিজন-৩ এর জমজমাট ফাইনাল ম্যাচ ৪ জুন বিকেল ৫টায় মোহাম্মদপুর পণ্ডিত বাড়ি বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খেলার উদ্বোধন উপলক্ষে শান্তির প্রতীক হিসেবে কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী নুরুর রহমান বেলাল, ৬নং পূর্ব বড়কুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ ইউনুস উল্যাহ, এবং ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাজির আহমেদ কোম্পানি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাঁকৈরতলা জনতা কলেজের সিনিয়র শিক্ষক মোজাম্মেল হক কাজল, মোঃ মনির হোসাইন বিএসসি, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বিল্লাল হোসেন, ইউপি সদস্য হিরা, ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হানিফ সর্দার, ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বজন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আইয়ুব খান, কাউছার, সোহাগসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন সাংবাদিক মোঃ জহির হোসেন এবং খেলা পরিচালনা করেন রেফারি রাতুল।
ফাইনাল ম্যাচে মাতুইন একাদশ ও শোরসখ একাদশ মুখোমুখি হয়। নির্ধারিত ২০ মিনিটের খেলায় উভয় দল গোলশূন্য থাকায় ম্যাচের ফল নির্ধারণে ট্রাইব্রেকারের আশ্রয় নেওয়া হয়। উত্তেজনাপূর্ণ ট্রাইব্রেকারে মাতুইন একাদশ বিজয়ী হয়ে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও রানারআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলকে ১০,০০০ টাকা এবং রানারআপ দলকে ৬,০০০ টাকা নগদ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এ সময় বক্তারা যুব সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, খেলাধুলা যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী বিভিন্ন ব্রিজ, রাস্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি উত্থাপন করেন। উপস্থিত অতিথিরা বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে ফাইনাল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। যুব সমাজের এমন ইতিবাচক উদ্যোগকে এলাকাবাসী সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি