প্রকাশের সময়: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬ । ১০:৩৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনহীন এক যুগের পথে হাজীগঞ্জ দলিল লিখক সমিতি, উঠছে নানা অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ দলিল লিখক সমিতির নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে একই কমিটি বহাল থাকায় সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছরের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি প্রায় এক দশক ধরে দায়িত্ব পালন করলেও নতুন নির্বাচন বা নেতৃত্ব পরিবর্তনের উদ্যোগ না থাকায় সংগঠনটির কার্যক্রম, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সমিতির একাধিক সদস্যের অভিযোগ, সভাপতি আ. গাফফার ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটি ২০১৬ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কার্যত সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের প্রভাবেই সংগঠনের অধিকাংশ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সদস্যদের ভাষ্য, দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকরী কমিটির সভা কিংবা সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। নিয়মিত সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডও দৃশ্যমান নয়। তবে আর্থিক বিষয়াদি পরিচালনা অব্যাহত থাকায় সংগঠনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জেলা পর্যায়ের নেতাদের উদ্যোগে আ. গাফফারকে সভাপতি ও বিল্লাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তবে কমিটি ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই সংগঠনের ভেতরে বিরোধ দেখা দেয়।

পরবর্তীতে সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি ও শাহাদাৎ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে আরেকটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে সেই কমিটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কয়েক দিন নিজেদের পরিচয়ে কার্যক্রম চালানোর পর বিকল্প কমিটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, প্রভাবশালী মহলের কারণে ওই কমিটি টিকতে পারেনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন দলিল লিখক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন না হওয়া এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে সমালোচনা করলে তাঁর ঘনিষ্ঠদের পক্ষ থেকে বিরূপ আচরণের মুখে পড়তে হয়। এ কারণে অনেক সদস্য নীরব থাকেন।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় দলিল লিখক সমিতির এক নেতা বলেন, “২০১৬ সালে আ. গাফফার ও বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের পর হাজীগঞ্জে আর কোনো নতুন কমিটি হয়নি।” তবে দীর্ঘ সময়েও কেন নতুন নির্বাচন বা কমিটি গঠন করা হয়নি, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

সমিতির সদস্যরা দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, নিয়মিত নির্বাচন ও নেতৃত্বের পরিবর্তনের মাধ্যমে সংগঠনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করা সম্ভব।

প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সভাপতি আ. গাফফার ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন