অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত শিক্ষামন্ত্রী রয়েছেন, যিনি কচুয়ার কৃতী সন্তান। তিনি শিক্ষা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম নিয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এই প্রকল্পটি দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় একই সময়ে শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গতকাল বাজেট অধিবেশনে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে অংশ নিতে পেরে আমি গর্বিত। সেখানে নতুন উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের মেধা ও উদ্ভাবনী ধারণা তুলে ধরতে সক্ষম হবে, সরকার তাদের পাশে থেকে সেই উদ্যোগকে মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে।
এমপি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমান সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদের দেশেও উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তরুণদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারার বিকাশে সরকার সবসময় সহযোগিতা করবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “আজ যারা বিজয়ী হয়েছো এবং যারা বিজয়ী হতে পারোনি, কেউই নিজেদের উদ্ভাবনী চিন্তা থেকে পিছিয়ে যাবে না। এই প্রচেষ্টার সঙ্গে লেগে থাকলে একদিন না একদিন অবশ্যই সফলতা আসবে।
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. এন. জামিউল হিকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লাহ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেন মাঝি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পি দত্ত

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী