প্রকাশের সময়: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ । ২:২১ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

ডিটারজেন্টের মোড়কে চিপস খেয়ে ১২ শিক্ষার্থী হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক

বাগেরহাটের রামপালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী ও এক নারী অভিভাবক চিপস খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরের এ ঘটনায় তাদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বড় দূর্গাপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফেরদৌসি। তিনি দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ চিপস ও ডিটারজেন্টের মোড়কে চিপস বিক্রির প্রমাণ পান। এ সময় এলাকাবাসীর দাবির মুখে তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি বন্ধ করে দেন।

বাগেরহাটের রামপালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী ও এক নারী অভিভাবক চিপস খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরের এ ঘটনায় তাদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বড় দূর্গাপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফেরদৌসি। তিনি দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ চিপস ও ডিটারজেন্টের মোড়কে চিপস বিক্রির প্রমাণ পান। এ সময় এলাকাবাসীর দাবির মুখে তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি বন্ধ করে দেন।

ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বন,পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম মৈত্রী হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, উপজেলার বড় দূর্গাপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি দোকান থেকে সোমবার দুপুরে

অনুমোদনহীন চিপস কিনে খাওয়ার পর তাদের মধ্যে খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটে ব্যথা, বমি ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে তাদের দ্রুত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রস্থ মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অসুস্থ ওই শিক্ষার্থীরা হলো– প্রাপ্তি অধিকারী (১০), তুফান শেখ (১৩), রাজদীপ (১০), আখিরা (১১), লামিয়া (১১), জান্নাতুল (১০), আরহী মন্ডল (৫), রাহুল মন্ডল (৮), সৃস্টি বিশ্বাস (১০), ফাতেমা আক্তার (৮), আমবিকা (৬), প্রোভাতী (১০) ও অভিভাবক দিপিকা হালদার (২৮) । এদের ভেতর জান্নাতুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ার তাকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

মৈত্রী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাকিব রেজোয়ান জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনকে মৈত্রী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৈত্রী হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হয়েছে। সেখানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন