প্রকাশের সময়: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ । ৯:০৫ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

মতলবে চাঁদা না পেয়ে ড্রেজার পাইপ ভাংচুরের অভিযোগ ইউনিয়ন যুবদল সভাপতির বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিনিধি
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে চাঁদা না পেয়ে ড্রেজারের পাইপ ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল গাফ্ফার ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সুমন বেপারীর বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়নের উত্তর বারগাঁও ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় এ পাইপ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৪ থেকে ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী ড্রেজার ব্যবসায়ীদের।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়নের উত্তর বারগাঁও এলাকার জাহাঙ্গীর মিয়াজীর ছেলে সাবেক ছাত্রদল নেতা হাবিবুর রহমান মানিক, বিএনপি নেতা মো. সুরুজ বৈদ্য, মো. বাদশা বৈদ্য, যুবদল নেতা সিরাজুল ইসলাম, মো. জহির রায়হান, মোঃ ফারুক হোসেন বৈদ্য, সোহাগ বৈদ্য, সাইফুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মো. শাকিল যৌথভাবে দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার ব্যবসা করে আসছেন। চলতি মৌসুমে বারগাঁও এলাকায় ড্রেজারের লাইন (পাইপ) টানতে গেলে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি গাফ্ফার প্রধান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সুমন বেপারী দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন তাদের কাছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রাতের আঁধারে ৫৪টি ড্রেজার পাইপ ভাংচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন মানিকসহ অন্য ব্যবসায়ীরা। যার বাজার মূল্য ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। এ ঘটনায় এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী ড্রেজার ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান মানিক বলেন, গাফ্ফার ও সুমন আমাদের কাছে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে বিষয়টি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে জানালে তারা দুই পক্ষকে নিয়ে বসে মীমাংসা করে দেয়। তারপর থেকে আমরা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। কিন্তু গতকাল রাতে গাফ্ফার ও সুমন আমাদের প্রায় ৫৪টি ড্রেজারের পাইপ ভেঙে ফেলে। যার বাজার মূল্য প্রায় চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা। আমরা ব্যবসায়িকভাবে চরম ক্ষতির শিকার হয়েছি। আমি আমার দলের সিনিয়র নেতাদের বিষয়টি অবগত করেছি, তারা আশ্বাস দিয়েছেন বিষয়টি তারা দেখবেন। পাশাপাশি আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি আইনের আশ্রয় নেব। যেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মূল অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা হয়।
এ বিষয়ে আবদুল গাফ্ফার বলেন, আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এ ধরণের কোন রেকর্ড নেই। আমি কোন চাঁদাবাজি বা পাইপ ভাংচুরের সাথে জরিত নই এবং আমার কোন নেতাকর্মীও এর সাথে জরিত  না। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে। আমি চাই তদন্তের মাধ্যমে সঠিক অপরাধীকে বের করা হোক।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন