প্রকাশের সময়: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬ । ১২:১৬ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

স্পেনের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে চায় গাজাবাসী

অনলাইন ডেস্ক

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের মহাকাব্যিক লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এই ম্যাচ ঘিরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায়ও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। অনেক ফিলিস্তিনি সমর্থক স্পেনকে সমর্থন করছেন, কারণ তাদের বিশ্বাস—ফিলিস্তিনের প্রতি স্পেনের রাজনৈতিক ও মানবিক অবস্থানই এই সমর্থনের প্রধান কারণ।

২০২৪ সালের মে মাসে স্পেন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ তখন বলেছিলেন, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য ছিল ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে এগিয়ে নেওয়া, গাজার মানবিক সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখা, যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।

স্পেন জাতীয় দলের কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচও গাজার মানুষের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন লামিনে ইয়ামাল এবং ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলা। ফিলিস্তিনিদের কাছে এসব পদক্ষেপ ফুটবলের গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রতীকী গুরুত্ব বহন করছে।

গাজার পঙ্গুদের ফুটবল দল গাজা আল ইরাদা (গাজা ডিটারমিনেশন)-এর প্রধান কোচ হাতেম আল মাগরিবি বলেন, পুরো ফিলিস্তিনি জাতি চায় স্পেন বিশ্বকাপ জিতুক। এই খেলোয়াড়রা তাদের পা বা হাত হারিয়েছে, কিন্তু যারা ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা ও সম্মান প্রকাশ করার শক্তি হারায়নি।

এ সময় তিনি বিশ্বকাপ চলাকালে প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানানোর জন্য মিসরের কোচ হোসাম হাসানকেও ধন্যবাদ জানান।

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে বিশ্বজুড়ে যেমন উত্তেজনা বাড়ছে, তেমনি গাজাতেও ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। তবে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলি হামলার কারণে টুর্নামেন্টের ম্যাচ দেখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠেছে।

সাবেক ফুটবলার ও স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপক আদনান আল আফিফি বলেন, বিদ্যুৎ থাকলেই কেবল মানুষ খেলা দেখতে পারে। কিন্তু জ্বালানির সংকট ও অতিরিক্ত দামের কারণে জেনারেটরও চালানো যাচ্ছে না। এর মূল্য দিচ্ছেন সাধারণ ফিলিস্তিনিরা।

যুদ্ধের কারণে প্রায় হারিয়ে যাওয়া ক্রীড়া পরিবেশ কিছুটা ফিরিয়ে আনতে গাজা সিটির প্যালেস্টাইন স্পোর্টস ক্লাবে বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রদর্শনী ম্যাচের আয়োজন করছেন আল-আফিফি। বর্তমানে এটিই গাজা উপত্যকার একমাত্র সচল ফুটবল ক্লাব, যেখানে খেলোয়াড়রা অনুশীলন ও খেলতে পারেন।

সূত্র: আলজাজিরা

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন