প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬ । ৯:৫৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ১লাখ ৩০ হাজার টাকায় সরকারি গাছ বিক্রি; সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

এস. এম ইকবাল
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মালিকানাধীন খালের পাড়ের গাছ বিক্রির অভিযোগে এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি সম্পত্তিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, গাছগুলো তাঁদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে ছিল এবং সেগুলো তাঁদের নিজস্ব সম্পত্তি।
গত বুধবার (২২ জুলাই) ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগটি করেন চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নিজাম উদ্দিন মজুমদার। এর আগে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ কড়ৈতলী গ্রামের আনন্দ বাজার এলাকার ১৯-বি খালের পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
থানায় দেওয়া অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কাজীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রেইন্ট্রি, কড়ইসহ বিভিন্ন প্রজাতির কয়েকটি গাছ বিক্রি করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, গাছগুলো তাদের মালিকানাধীন খালের পাড়ে ছিল। বিষয়টি জানার পর সংস্থাটির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
গাছের ক্রেতা স্থানীয় হারুনুর রশিদ বলেন, তিনি সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন কাজীদের কাছ থেকে অর্থ দিয়ে গাছ কিনেছেন এবং পরে তা কেটে নিয়েছেন। গাছগুলো সরকারি সম্পত্তির কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নিজাম উদ্দিন মজুমদার বলেন, সরকারি খালের পাড়ে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন গাছ বিক্রির ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন কাজী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যে জায়গা থেকে গাছ বিক্রি করা হয়েছে, সেটি তাঁদের দুই পরিবারের ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি। তাঁর ভাষ্য, গাছগুলো তাঁর শ্বশুর রোপণ করেছিলেন। তাই নিজেদের গাছ বিক্রি করা হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন