চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার তিন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে ভবিষ্যতে মাদকদ্রব্য সেবন, বিক্রয় ও সরবরাহ থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।
অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরকারী তিনজন হলেন-পারুল বেগম (৫৫), পলি আক্তার (৩০) এবং সফিউল আলম খান ওরফে রিপন (৩৬)। তারা হাজীগঞ্জ উপজেলার টোরাগড় (কাজী বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা।
লিখিত অঙ্গীকারনামায় তারা উল্লেখ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে হাজীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক যুবক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে এবং সমাজে নেতিবাচক সৃষ্টি হয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা এ ব্যবসায় জড়িয়েছিলেন বলেও স্বীকার করেন।
লিখিত অঙ্গীকারনামায় তারা উল্লেখ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে হাজীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক যুবক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে এবং সমাজে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা এ ব্যবসায় জড়িয়েছিলেন বলেও স্বীকার করেন।
তারা আরও জানান, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পর স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের উদ্যোগে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। সাবেক উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, বর্তমান পৌর বিএনপির সদস্য ও সাবেক ৭ নং ওয়ার্ড কমিশনার মো. সিরাজ খান এবং সাবেক ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কবির কাজীর সহযোগিতায় তারা মাদকের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
অঙ্গীকারনামায় তারা ঘোষণা দেন, ৫ আগস্ট থেকে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন, গ্রহণ, বিক্রয় বা সরবরাহ করবেন না। যদি ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সে বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।
এ বিষয়ে হাজিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, তারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে বলে আমার কাছে অঙ্গিকার নামা জমা দিয়েছে। আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।

নিজস্ব প্রতিনিধি