প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ । ১০:২৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের সেই কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করবে মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিনিধি
চাঁদপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবু তাহেরের বিরুদ্ধে উঠা নানা অনিয়ম ও দুর্ণীতির বিষয়ে তথ্য প্রমাণ বিশ্লেষণে যাচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হলেই বিধি মোতাবেক নেয়া হবে ব্যবস্থা।
আগের সংবাদটি পড়ুন…
কচুয়ায় অনুষ্ঠানে না থেকেও মন্ত্রীর কর্মসূচির প্রশিক্ষণ ভাতা তোলার অভিযোগ: সমালোচনার ঝড়
২৩ আগষ্ট রোববার বিকালে মুঠোফোনে এ তথ্য জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।
এর আগে বেশ কিছুদিন যাবৎ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছিলো আবু তাহেরের বিরুদ্ধে। এরমধ্যে অভিযোগগুলো হচ্ছে, গত ৭ আগষ্ট চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার এলাকায় কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের আওতায় বিনামূল্যে মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ ও উদ্বোধন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। কিন্তু এই উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আবু তাহের সেখানে উপস্থিত না থেকেও সরকারি প্রশিক্ষণ ভাতা উত্তোলন করেছেন।
এমনকি গত ১৬ মে চাঁদপুরে বিশ্বখাল খননের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। শুধু তাই নয়, উপজেলা ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে আবু তাহের অংশগ্রহন না করে প্রায়ই সরকারি ভাতা উত্তোলন করে নেন। এছাড়াও জেলার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিতে এক বছরের অধিক সময় তিনি বসবাস করছেন। যার কারনে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিতে তিনি বসবাস করায় প্রশিক্ষণে ব্যাঘাত হচ্ছে এবং অন্যদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। ইতি পূর্বে অব্যবহৃত একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রি করে দেন এ কর্মকর্তা।
‎
‎
এসব অনিয়ম ও অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, ওইদিন শুক্রবার ছিল বিধায় কচুয়ার প্রশিক্ষণে উপস্থিত হতে পারি নি।তবে ভাতা নিয়েছি এটা সত্য। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বসবাস করাসহ অন্যান্য বিল ভাউচার প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করতেই তিনি সাংবাদিকদের ক্যামেরা বন্ধ রাখতে বলে আর কোন মন্তব্য করতে চাননি।
এর আগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আজিজুর রহমান মুঠোফোনে জানান, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন না করে ভাতা তোলার কোনো বৈধতা নেই। এটি সরকারি বিধিমালা ও আইনের পরিপন্থী। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বসবাসের বিষয়ে বলেন,যদি ডরমেটরি হিসেবে ব্যবহার করেন তাহলেও আবু তাহেরকে ভাড়া দিতে হবে।
এ বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ অধিশাখার যুগ্ম সচিব এনামুল হক বলেন, আমি এই মাত্রই ঘটনাগুলো সম্পর্কে অবগত হলাম। পূর্বে বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত কোন খবর আমার নজরে আসেনি।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন