শাহরাস্তিতে রাতে অযাচিত ও উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরার অভিযোগে পাঁচ কলেজ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। একই রাতে পৃথক অভিযানে আদালতের সিআর পরোয়ানাভুক্ত তিন আসামিকেও আটক করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমানের নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, এসআই মোহাম্মদ আল আমিন ভূঁইয়া ও এসআই মো. জাকির হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মেহের স্টেশন এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় রাতে অযাচিত ও উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরার অভিযোগে মো. হোসাইন রুপক (২২), আজমীর হোসাইন (২১), মো. ফরহাদ হোসেন (২১), আবু বক্কর সিদ্দিক ফাহিম (১৯) ও মিরাজ হোসেন (২১)কে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তারা রাতে ওই এলাকায় অবস্থানের সন্তোষজনক কারণ জানাতে পারেনি। পরে অভিভাবকেরা থানায় এসে ভবিষ্যতে রাতের বেলায় এ ধরনের অযাচিত ঘোরাফেরা থেকে বিরত রাখার বিষয়ে পুলিশকে আশ্বস্ত করেন। থানার রেকর্ড ও সিডিএমএস যাচাই করে তাদের বিরুদ্ধে বিরূপ কোনো তথ্য না পাওয়ায় প্রথমবারের মতো সংশোধনের সুযোগ দিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে পৃথক অভিযানে শাহরাস্তি পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সেনগাঁও (রমজান আলী মেম্বার বাড়ি) এলাকা থেকে কুলছুমা আক্তার, তার মেয়ে আয়েশা আক্তার সুমি এবং দেবকরা (বেপারী বাড়ি) এলাকা থেকে মো. ইউসুফ (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তারা আদালতের সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি। কুলছুমা আক্তার ও আয়েশা আক্তার সুমির বিরুদ্ধে সিআর-২৬৩/২৫ (শাহরাস্তি) এবং ইউসুফের বিরুদ্ধেসিআর-২৩০/২৬ (শাহরাস্তি) মামলায় পরোয়ানা রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে কুলছুমা আক্তার ও আয়েশা আক্তার সুমিকে পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ইউসুফকেও আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কিশোর-তরুণদের রাতে অপ্রয়োজনে ঘোরাফেরা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান চলছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি