প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ৮:৪৪ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় প্রবাসীর বাড়িঘরে হামলা মামলায় ৪ মাতাব্বর গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি

কচুয়া উপজেলার বরুচর গ্রামের বাসিন্দা কুয়েত প্রবাসী আবু মুসার বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাংচুর ও তার ভাইকে মারধরের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার ঘটনায় ৪ আসামী (মাতাব্বর) গ্রেফতার হয়েছে।

প্রবাসীর ভাই মারধরের শিকার কবি আল-আমীন হোসেন এর গত ৩ সেপ্টেম্বর দায়েরকৃত মামলায় রবিবার চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে জামিন চাইতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

আটককৃতরা হচ্ছেন, বরুচর গ্রামের মাতাব্বর হারুনুর রশিদ, আবুল খায়ের, কেফায়েতউল্লাহ ও সফিকুল ইসলাম। আটককৃতরা বর্তমানে চাঁদপুরের জেল-হাজতে রয়েছেন।

জানা গেছে, প্রায় ২৩ বছর আগে কচুয়া উপজেলার বরুচর গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের মেয়ে মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে আবু মুসার ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পছন্দের ভিত্তিতে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের মনিরা আক্তার (২১), মাকছুদা (১৭) ও মাহমুদুল হাসান (১১) নামে তিন সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আবু মুসা জীবিকার তাগিদে কুয়েতে পাড়ি জমান। সেখানে দীর্ঘদিন কর্মজীবন শেষে উপার্জিত অর্থ দিয়ে বাড়িতে একটি ভবন নির্মাণ করেন বলে তিনি জানান।

প্রবাসী আবু মুসা বলেন, প্রায় দুই বছর আগে তার বাবা মারা যান। এরপর তার বৃদ্ধা ও অসুস্থ মা আমেনা বেগম ওই বাড়ির এক পাশে বসবাস করতেন। তার অভিযোগ,মাহমুদা আক্তার তার মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার, গালমন্দ ও মারধর করে মাহমুদার পক্ষের কিছু মাতাব্বরদের সাথে রেখে তাদের যোগ সাজসে তাকে (প্রবাসীর মাকে) বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। বর্তমানে তার মা নিরুপায় হয়ে নবাবপুর এলাকায় ছোট ভাইয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন,“আমি আমার মাকে মাথায় তুলে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পবিত্র হজ পালন করিয়েছি। যে ঘরে আমার মায়ের জায়গা নেই, সেই ঘরে আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে থাকতে পারি না। তাই আমি মাহমুদা আক্তারকে তালাক দিয়েছি।” আবু মুসার আরও অভিযোগ, এ ঘটনার জের ধরে গ্রামের হারুন, সফিক, কেফায়েত উল্যাহ, আবুল খায়েরসহ কয়েক জন মাতাব্বর প্রভাব খাটিয়ে মাহমুদা আক্তারের পরিবারের পক্ষ নিয়ে তার ছোট ভাই আল-আমিনকে মারধর করে হাত ভেঙ্গে দেয় এবং আলামিনের স্ত্রী সন্তানদেরসহ মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন ।

আবু মুছা জানান, মাহমুদা আক্তারকে তালাক দেওয়ার পরেও সে লোকজনের মাধ্যমে জোপূর্বক আমার বাড়িঘর দখল করে থাকতে চায়। আমার বিরুদ্ধে কতিপয় মাতাব্বরদের কুপরামর্শে ঝাড়ু মিছিল আমার মান-সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। তবে প্রবাসী আবু মুসা জানান, আমি আমার সন্তানদের দায়িত্ব অবশ্যই গ্রহন করব।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন