প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ১০:০৮ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে পারিবারিক কলহে প্রবাসী ভাইয়ের বসতঘর ভাঙচুর

এস. এম ইকবাল
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সৌদিফেরত এক যুবকের বিরুদ্ধে নিজের আপন প্রবাসী ভাইয়ের বসতঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে কুড়াল দিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের আইটপাড়া বেপারী বাড়ীতে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আইটপাড়া বেপারী বাড়ীর প্রবাসী মাসুদ হোসেনের সঙ্গে তাঁর মেজ ভাই দেশে ফিরে আসা প্রবাসী মাহবুব আলমের দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সবাই যখন ঘুমিয়েছিলেন, তখন মাহবুব কুড়াল হাতে নিয়ে বড় ভাই মাসুদের ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং জানালার থাই গ্লাস ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে থাকেন। ভাঙচুরের বিকট শব্দ শুনে মা-বাবা ও আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁকে থামানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।
অভিযুক্ত মাহবুবের বাবা আব্দুর রহিম জানান, আমার তিন ছেলের মধ্যে দুজন বিদেশে থাকে। মেজ ছেলে মাহবুবও দীর্ঘদিন বিদেশে ছিল। মানসিক অসুস্থতা ও ভাইদের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে সে একেবারেই দেশে চলে এসেছে। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সে কুড়াল দিয়ে বড় ছেলের ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে থাই গ্লাস ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। ঘটনা থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের ছোঁড়া ইটের আঘাতে সে কিছুটা আহত হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মাহবুব আলম বলেন, আমি প্রায় ১৫ বছর বিদেশে কষ্ট করে উপার্জন করে সব টাকা পরিবারকে দিয়েছি। ভাইদেরও বিদেশে নিয়েছি। কিন্তু তারা বিদেশের দোকান দখল করে আমাকে নিঃস্ব করে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বানিয়ে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছে। এমনকি তিন দিন আগে বড় ভাই তাঁর ভাড়াটে লোক দিয়ে সাহার বাজারে আমাকে বেধড়ক মারধর করিয়েছে। রাগে ও ক্ষোভে আমি ঘরে ভাঙচুর চালিয়েছি।
এদিকে প্রবাসী মাসুদ হোসেন মুঠোফোনে তাঁর ভাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাহবুব আমার কাছে কোনো টাকা পায় না এবং তাকে মারধরের অভিযোগও পুরোপুরি মিথ্যা। কোনো কারণ ছাড়াই সে আমার ঘরের তালা ভেঙে থাই গ্লাস, ফার্নিচার ভাঙচুর ও মালামাল তছনছ করেছে। আমার স্ত্রী-সন্তান বর্তমানে আতঙ্কে রয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা দাবি করছি।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার এ.এস.আই বেলায়েত হোসেন জানান, জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ সংবাদের ভিত্তিতে আমরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। মাসুদ এর স্ত্রীকে বলেছি থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য।  এখন পর্যন্ত কেহই কোন অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন