কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের নেমুয়া বাড়ির শাহ আলমের কন্যা জান্নাতুল মাওয়া মিম পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে স্বামীর ঘর ছাড়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জান্নাতুল মাওয়া মিম ঝর্ণা বেগম বাদী কচুয়া থানায় নিখোঁজের একটি জিডি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জান্নাতুল মাওয়া মিম ওই গ্রামের পাশের বাড়ির মনির হোসেনের ছেলে কামাল হোসেন হৃদয়ের সাথে দুজনে প্রেমের সম্পর্ক জড়িয়ে ১১ অক্টোবর ২০২৪ সালে চাঁদপুর বিজ্ঞ নোটারী পাবলিক এর কার্যালয়ের বিবাহর হলফনামা করেন। পরবর্তী দুই পরিবার তাদের এই প্রেমের বিবাহ মেনে নেন। পরবর্তীতে কামাল হোসেন হৃদয় ঘর থেকে অন্য ছেলের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন জান্নাতুল মাওয়া মিম। পরকীয়া জড়িয়ে ১৮ আগস্ট ২০২৬ সালে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন । স্বামী কামাল হোসেন হৃদয় ১৯ আগস্ট কচুয়া থানায় একটি নিখোঁজের জিডি করেন। নিখোঁজের ঘটনায় ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দুইদিন পর জান্নাতুল মাওয়া মিম তার বাপের বাড়িতে চলে আসেন।
পুনরায় আবারো গত কয়েক মাস আগে জান্নাতুল মাওয়া মিম কাউকে না জানিয়ে সকলে অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় । এই ঘটনায় জান্নাতুল মাওয়া মিমের মা ঝরনা আক্তার কচুয়া থানায় একটি নিখোঁজের জিডি করেন।
কামাল হোসেন হৃদয় বলেন, জান্নাতুল মাওয়া মিমকে আমি ভালোবেসে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে ২০২৪ সালে ১১ অক্টোবর বিবাহ করি। বিয়ের পর থেকে জান্নাতুল মাওয়া মিম বিভিন্ন ছেলেদের সাথে মোবাইলে কথা বলে আসছে। সেই গত তিন চার মাস আগে আমার ঘর থেকে পালিয়ে গিয়েছে। পুনরায় গত কয়েক মাস আগে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বিজ্ঞ নোটারী পাবলিকের কার্যালয় চাঁদপুর, স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাকের ঘোষনাপত্র ডাক যোগাযোগের মাধ্যমে আমাকে তালাকপত্র পাঠান।
জান্নাতুল মাওয়া মিম এর মা ঝরনা বেগম জানান, জান্নাতুল মাওয়া মিম গত কয়েকদিন ধরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছে। আমি এই ব্যাপারে কচুয়া থানায় একটি নিখোঁজের ডায়েরি করেছি। আমার মেয়ের সন্ধান মেলেনি ও যোগাযোগ করতে পারতেছি না ।
স্থানীয় লোকজন আরো জানান, জান্নাতুল মাওয়া মিম কামাল হোসেন হৃদয় ঘরে থাকা অবস্থায় একাধিক ছেলে সাথে পরকীয়া জড়িয়ে পড়ে। এই নিয়ে কামাল হোসেন হৃদয় ও জান্নাতুল মাওয়া মিম দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার সালিশও হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক