প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ । ১১:৫৪ এম প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বেতন ভাতা না পাওয়া ও দুর্ব্যবহারের ক্ষোভ থেকে ইরফান জাহাজের সবাইকে হ ত্যা করে

নিজস্ব প্রতিনিধি

চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে সারবহনকারী এমভি আল বাখেরা জাহাজে ৭ জন খুনের ঘটনায় রহস্য উদঘাটন হয়েছেন বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।

তিনি প্রিয় চাঁদপুর অনলাইনকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বেতন ভাতা না পাওয়া ও দুর্ব্যবহারের ক্ষোভ থেকে আকাশ মন্ডল ইরফান জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়াসহ সবাইকে হত্যা করে।

আগের সংবাদটি পড়ুন…

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে জাহাজের ৭ জনকে হ ত্যা করে ইরফান

খুন হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মাস্টার গোলাম কিবরিয়া, গ্রিজার সজিবুল ইসলাম, লস্কর মাজেদুল ইসলাম, শেখ সবুজ, আমিনুর মুন্সী, ইঞ্জিন চালক সালাউদ্দিন ও বাবুর্চি রানা কাজী। এ ছাড়া আহত ব্যক্তি হলেন- সুকানি জুয়েল।

আগের সংবাদটি পড়ুন…

চাঁদপুরে সারবোঝাই জাহাজে হামলায় নিহত বেড়ে ৭

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য দিয়ে র‍্যাব দাবি করে, জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘ ৮ মাস ধরে কোনো প্রকার বেতন ভাতা দিতেন না এমনকি তিনি দুর্ব্যবহারও করতে। এসবের ক্ষোভ থেকে আকাশ মন্ডল ইরফান সবাইকে হত্যা করেন।

আগের সংবাদটি পড়ুন…

চাঁদপুরে মালবাহী জাহাজে ৭ জনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইরফানের দেওয়া তথ্য মতে র‍্যাব আরও দাবি করে, জাহাজের বাজার করা ইরফান পাবনার একটি বাজারে নেমেছিল। সেখান থেকে তিনি ৩ পাতা ঘুমের ওষুধ কেনেন। আর যে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে সবাইকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় সেটি আগেই জাহাজেই ছিল। কুড়ালটি জাহাজের নিরাপত্তার জন্য রাখা হয়েছিল।

আগের সংবাদটি পড়ুন…

পুলিশ-স্বজনদের ধারণা ‘পূর্ব পরিকল্পিত’

র‍্যাব দাবি করে বলে, ইরফান প্রথমে খাবারের মধ্যে ঘুমের অষুধ খাইয়ে সবাইকে অচেতন করে। পরে হাতে গ্লাভস পড়ে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে সবাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর সবাইকে কোপানের পর মৃত্যু নিশ্চিত করে নিজে জাহাজ চালিয়ে হাইম চর এলাকায় এসে অন্য একটি ট্রলারে করে পালিয়ে যান।

আগের সংবাদটি পড়ুন…

চাঁদপুরের মেঘনায় জাহাজে খু ন হওয়া ৭ জনের ম র দে হ হস্তান্তর

র‍্যাবের ভাষ্য, মাস্টার গোলাম কিবরিয়াকে হত্যার সময় অন্যরা দেখে ফেলায় ইরফান তাদেরও হত্যা করেন।

আগের সংবাদটি পড়ুন…

জাহাজে ৭ খুন : চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে কান্নার রোল

Editor and Publisher: Mohammad Abdul Qayyum Khan. Acting Editor: Saiful Islam Sifat. Executive Editor: Md. Masud Rana.

Editorial and Commercial Office: Bhuiyan Bhaban, (2nd Floor), Adjacent to Chandpur Government College, Chandpur. News Room: Medina Super Market (2nd Floor), Ramganj Road, Bishwa Road, Hajiganj, Chandpur.

প্রিন্ট করুন