বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আপন-এর দেশজ ফল উৎসব: হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এক মানবিক আয়োজন

আহমেদ শাহেদ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫, ১১:৪৪ পিএম
আপন-এর দেশজ ফল উৎসব: হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া এক মানবিক আয়োজন

একটি সকাল কেবল একটি অনুষ্ঠানের শুরু ছিল না- সেটি ছিল আনন্দ, মানবিকতা আর সমতার এক অপূর্ব মিলনমেলা। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়ে “আপন” যেভাবে দেশজ ফল উৎসব আয়োজন করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং সমাজের প্রতিটি দায়িত্বশীল নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

আম, কাঁঠাল, লিচু থেকে শুরু করে বিলুপ্তপ্রায় নুইন্না, ডেউয়া, কাউ কিংবা সফেদার মতো ফল যখন একসাথে সাজানো হয় শিশুদের জন্য, তখন সেটা শুধুই উৎসব নয়- এটি হয়ে ওঠে ভালবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার এক নিঃস্বার্থ প্রয়াস। আর সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য ছিল, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির শিশুদের এক কাতারে দাঁড় করিয়ে তাদের জন্য সাম্যের পরিবেশ তৈরি করা।

এই আয়োজনের কথা আমি জানতে পারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক, আমার স্নেহের ছোট ভাই, কবি, লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী আশিক বিন রহিমের একটি পোস্ট হৃদয় ছুঁয়ে যায়। যদিও স্বশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য আমার হয়নি- আর হবেই বা কিভাবে, সংগঠনের কর্ণধার রোটারিয়ান ডা. রাশেদা আক্তার বা আশিক কেউই আমন্ত্রণ জানায়নি কখনো। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবুও তাতে আমার কোনো দুঃখ নেই।

কারণ, এই আয়োজনটি এতটাই প্রাণবন্ত ও অর্থবহ ছিল যে, দূর থেকে দেখেও তাতে হৃদয় মিশিয়ে দেওয়া যায়। আমন্ত্রণ না পেলেও আমি ছিলাম- ভালোবাসায়, অনুভবে, এবং আপন-এর সকল মানবিক প্রয়াসে চুপিচুপি পাশে। এমন কাজের জন্য পাশে দাঁড়াতে আমন্ত্রণ লাগে না, লাগে কেবল হৃদয়ের সাড়া।

Model Hospital

অনুষ্ঠানের প্রতিটি মুহূর্ত ছিল শিশুর মনোজগতের জন্য এক আশ্চর্য জাগরণ। খেলাধুলা, খুনসুটি, গান আর ছড়ার মাঝে তারা খুঁজে পেয়েছে ভালোবাসার ছায়া, নির্ভরতার পরশ। এমন একটি আয়োজনে শুধু শিশুরাই নয়, আমন্ত্রিত অতিথিরাও পেয়েছেন মানবিকতা পুনরাবিষ্কারের সুযোগ।

কৃতজ্ঞতা “আপন” পরিবারের প্রতি- বিশেষ করে সংগঠনের প্রতিটি সদস্য, উপদেষ্টা ও আয়োজকদের, যাদের নিরলস পরিশ্রমে এমন একটি ব্যতিক্রমী ও হৃদয়গ্রাহী অনুষ্ঠান সম্ভব হয়েছে। ‘আপন’ প্রমাণ করেছে-ভালোবাসা দিয়ে গড়া সমাজেই শিশুদের জন্য ভবিষ্যৎ সবচেয়ে সুন্দরভাবে গড়ে ওঠে।

আমরা চাই, ‘আপন’-এর এই পথচলা আরও সুদূরপ্রসারী হোক। দেশের প্রতিটি অঞ্চলেই এমন মানবিক আয়োজন ছড়িয়ে পড়ুক।

ধন্যবাদ আপন, তোমাদের জন্যই সমাজে এখনও আলোর আশা টিকে আছে।

যারা ডাকে না, তারাও পাশে থাকে- হৃদয়ের বাঁকে বাঁকে।

মানবিকতার পাশে দাঁড়াতে কখনো আমন্ত্রণ লাগে না।

কলামিস্ট, গণমাধ্যমকর্মী ও পেশাদার বাচিক শিল্পী।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital