শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ত্রিভুজীয় বিবাদে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি: পুনর্বাসন ও পরিণতি

অ্যাড. খন্দকার সাইফুল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ১১:৪৯ এম
ত্রিভুজীয় বিবাদে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি: পুনর্বাসন ও পরিণতি

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে সচেতন নাগরিক সমাজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন! বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপি পরস্পরের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধকে কেন্দ্র করে দিন দিন ক্ষোভ ও ঘৃণা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। এই ৩টি দলের তৃণমূলের নেতা, কর্মী, সমর্থক, থিঙ্কট্যাংক, বট ফোর্স, অনলাইন এক্টিভিস্টরা পরস্পরের প্রতি ঘৃণার পারদ এতোটাই, তা যেনো জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির লাভার মতো টগবগে হয়ে ফুটছে, আর তা যে কোনো সময় সুনামী কিংবা ভূমিকম্প আকারে মহাবিস্ফোরণ ঘটবেই। যার ফলে এই জাতি দেখবে আবারো একটি ঐতিহাসিক রক্তের বন্যা এবং হাজারো বিপ্লবীদের লাশের মিছিল!

বিএনপি সমর্থকরা আওয়ামী লীগের ব্যবহৃত ভোতা অস্ত্র সেই ‘রাজাকার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ বিক্রি করে জামায়াত-শিবিরকে ঘায়েল করার জন্য সকল চেষ্টাই করে যাচ্ছে। তাদেরকে ধর্ম ব্যবসায়ী ও মুনাফেকের দল হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। জামায়াত-শিবিরকে গুপ্ত বাহিনী হিসেবে গালিতে পরিণত করেছে। বিএনপি দেশের সকল অপরাধের দায় গুপ্ত বাহিনীর উপর চাপিয়ে দিচ্ছে, যদিও পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনের শতকরা ৮০ ভাগই বিএনপি সমর্থক।

জামায়াত সমর্থকরা বিএনপিকে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দল হিসেবে শক্ত একটা ন্যারেটিভ বিল্ড করেছে। যদিও দলটি বিগত ১১ মাসে তাদের দলের ৪ হাজার ৫০০ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন অপরাধ বহিষ্কার করেছে। এদিকে বিএনপি সাম্য হত্যার মতো খুলনার বহিষ্কৃত যুবদল কর্মী হত্যা নিয়ে রাজনৈতিক মাঠ গরম করতে চেয়েছে, কিন্তু বামপন্থী অপরাধীরা সনাক্ত হওয়ায় আপাতত গেইম ওভার! তবে বিএনপিকে চাঁদাবাজ দলের ন্যারেটিভ হিসেবে প্রচার ও প্রতিষ্ঠায় জামায়াত, এনসিপি, গোয়েন্দা সংস্থা এবং গণমাধ্যমের দায় সবচেয়ে বেশি!

এনসিপি সমর্থকরাও আবার বিএনপি-কে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দল এবং জামায়াতকে স্বাধীনতা বিরোধী ও গুপ্ত বাহিনী হিসেবে ন্যারেটিভ দাঁড় করিয়েছে। এনসিপি-র বহু নেতা এখন খুচরা ও পাইকারি দরে জুলাই চেতনা বিক্রি করছে। যদিও তাদের কিছু নেতাকর্মীদের নামে বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ থেকে মব সৃষ্টি, আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হচ্ছে। যদিও গোপনে গোপনে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি কেউ কারো থেকে পিছিয়ে নেই!

Model Hospital

রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই! এদেশে ক্ষমতার জন্য শত্রু-মিত্রের পরিবর্তন হয়, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। আজ যে আপনার চরম শত্রু, আগামীকাল সে আপনার পরম মিত্র! আবার এর উল্টোটাও হতে পারে!

স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন, জাতীয় সরকার, সেকেন্ড রিপাবলিক, জুলাই সনদ, পিআর পদ্ধতি, রাষ্ট্রপতি অপসারণ, সেনাপ্রধান পদচ্যুতকরন, সেনা ও পুলিশ প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান, সিভিল ও জুডিশিয়ারিতে ব্যাপক পরিবর্তন, সংবিধান পরিবর্তন, সাংবিধানিক কাউন্সিল ও সাংবিধানিক আদালত গঠন ইত্যাদি বিষয়ে মতভিন্নতাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি-র কর্মী-সমর্থক, থিঙ্কট্যাংক, একটিভিস্ট, বট ফোর্স একে অপরের বিরুদ্ধে অনলাইন ও অফলাইনে গুজব, মিথ্যা, ক্ষোভ, ঘৃণার মাধ্যমে ত্রিভুজ পদ্ধতিতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে!

এর চূড়ান্ত ফলাফল যা হতে পারে…
১। ক্ষমতা পাওয়া কিংবা যাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের সাথে যেকোনো দল গোপনে আঁতাত করতে পারে এবং দ্রুততম সময়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিতে পারে। এরফলে আওয়ামী লীগ দ্রুততম সময়ে ক্ষমতাসীন হয়ে ২৪-এর বিপ্লবী সমন্বয়ক, জামায়াত-শিবির, পিনাকি, ইলিয়াস, কনক সরোয়ারসহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিএনপি নেতাদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা এবং তাদেরকে ফাঁসি দেওয়া, আলেম-ওলামা ও বিরোধী প্রতিপক্ষকে দেশদ্রোহী, সন্ত্রাসী ও জঙ্গি বানিয়ে ক্রসফায়ার ও ফাঁসি দেওয়া, দেশে গুম, খুন, ক্রসফায়ার, বিচার-বহির্ভূত হত্যা, জুডিশিয়াল কিলিং, জঙ্গি নাটক, ব্যাংক ডাকাতি, শেয়ার মার্কেট ছিনতাই, লুটপাট ও টাকা পাচার ইত্যাদি পুনরায় করা, শহীদ জিয়ার কবর নিশ্চিহ্ন করা, মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিল করা ও মরণোত্তর বিচার করা, বেগম জিয়া ও তারেক রহমানকে ফাঁসি দেওয়া, তারেকের স্ত্রী ডা: জোবায়দা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানের নাগরিকত্ব বাতিল, চরিত্রহনন এবং জেলে বন্দি করাসহ ভারতের কাছে স্বাধীনতা বন্ধক রেখে জনগণের প্রভু সাজার সুযোগ লাভ করা।

২। অথবা বিএনপি এবং এনসিপি যৌথভাবে জামায়াত-শিবির নির্মূলে মামলা, হামলা, নির্যাতন, গুম, খুন, ফাঁসির বন্দোবস্তসহ ব্যাপক কার্যক্রম চালাতে পারে, যেখানে বামপন্থী ও আওয়ামীদের প্রত্যক্ষ সমর্থন থাকবে।

৩। অথবা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, এনসিপি অঘোষিতভাবে একত্রিত হয়ে জামায়াতকে সকল দিক থেকে ঘায়েল করতে পারে। যারফলে জামায়াতকে চড়া মাশুল গুনতে হতে পারে এবং পূর্বের মামলা, হামলা, নির্যাতনের সকল ইতিহাসের রেকর্ড ভঙ্গ হতে পারে।

৪। অথবা পরিস্থিতি এমন এক পর্যায় গিয়ে দাঁড়াবে, তখন বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ যৌথভাবে কিংবা এরা একে অপরের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় অতীত ও ভবিষ্যতের বিভিন্ন ইস্যুতে জামায়াত-এনসিপি-ছাত্র সমন্বয়ক শীর্ষ নেতৃত্বকে মামলা-হামলা, জুলুম-নির্যাতন, নিপীড়নসহ ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েও ছাড়তে পারে।

জামায়াত নামক যে দলের ভোটার সংখ্যা শতকরা ৮-১০ ভাগ মাত্র, যে দলটি বহু বছর যাবত অন্য দলের ক্ষমতায় আরোহনের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং যে দলটি আগামী ৫০/৬০ বছরেও এককভাবে ক্ষমতায় যেতে পারবে না, তারা অন্য বৃহত রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচি এবং ন্যারেটিভ দেওয়ার পূর্বে তাদের কর্মী-সমর্থকদের সংখ্যা ও নিরাপত্তার বিষয়টিও ভাবা উচিত। যা সাধন করতে পারবেন না, তেমন কর্মসূচি দিয়ে নিজ দলের কর্মীদের রক্তপাত ও প্রাণহানির মুখে ঠেলে দেওয়ার দায়ও কিন্তু থেকে যায়!

বিএনপি এখন আওয়ামী লীগের মতো সমস্ত দায় জামায়াত-শিবিরের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে গোপন তৎপরতার অভিযোগ আনছে। মোস্ট অবিডেন্স টু সুপারিয়র লিডারশিপ, ভেরি অরগানাইজড স্ট্রাকচারাল ক্যাডার সিস্টেম, আইডিওলজিক্যাল ইন্টেলেকচুয়াল স্ট্রেটেজি, ডিফারেন্ট ফিন্যান্সিয়াল পলিসি এপ্লাই, আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি, আর্টিফেসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ব্রেইন ওয়াশড টার্মিনোলজি ইত্যাদি ব্যবহার করেই শিবির যদি ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের মতো এতো দক্ষ হয়ে বিএনপির ভিতরে ঢুকে কার্যক্রম চালাতে পারে, আর বিএনপি যদি তাদের শনাক্ত করতে না পেরে ঢালাও অভিযোগ আনয়ন করে, এরচেয়ে বড় রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব আর কি হতে পারে! আপনারাও তাদের মতো করে তাদের দলের ভিতরে এমন কার্যক্রম পরিচালনা করুন, যেনো দলটি ভিতর থেকে ভেঙে পড়ে, কিন্তু তা কি বিএনপির পক্ষে আদৌ সম্ভব…!!!

অ্যাড. খন্দকার সাইফুল

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’