বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে টিকটকারের সাথে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৬ পিএম
ফরিদগঞ্জে টিকটকারের সাথে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও
পরকীয়া প্রেমের জেরে স্বামীর সবকিছু নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছেন চাঁদপুরের এক প্রবাসীর স্ত্রী। সম্প্রতি জেলার ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার কাছিয়াড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
২০১৮ সালে ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার কাছিয়াড়া গ্রামের মাছুম রাব্বানীর সঙ্গে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের মরিয়ম বেগমের ইসলামি শরিয়  মতে বিয়ে হয়। বিয়ের পর ওই যুবক জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব চলে যান এবং তাদের কোল আলোকিত করে এক ছেলে সন্তানের জন্ম হয় মেহেরাব হাসান মাহিম(৫)।
এদিকে, মাছুম রাব্বানী প্রবাসে যাওয়ার পর স্ত্রীর মন রক্ষার্থে তাকে বাবার বাড়িতে বসবাসের অনুমতি দেয়। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেন এবং ঘরে বসে টিকটক ও অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি ওই যুবক দেশে আসেন। প্রায় মরিয়ম তার স্বামীকে খাবারর সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে সেবন করাতো। রাতে মাছুমকে পাশে ঘুমে রেখেই পরকীয়া প্রেমিকের সাথে প্রেম লীলায় মেতে উঠতো।
অন্যদিকে, মরিয়ম বেগম পরাকিয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যাওয়ার স্বীদ্ধান্ত গ্রহন করার পর গত ২১ আগষ্ট বুধবার চান্দ্রা শিক্ষিত বেকার সমবায় সমিতি থেকে স্বামী মাছুম রাব্বানী ও তার ভাবি তাছলিমা বেগমকে জামিনদার করে ৪ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে। পরে সেই ৪ লক্ষ টাকাসহ ঘরের আলমারিতে থাকা নগদ ৬ লক্ষ টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালংঙ্কার ১ হাজার ৪’শ টাকা সৌদি রিয়েল সাথে থাকা মোবাইল ফোনসহ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে ২৭ আগষ্ট সন্ধ্যায় পরাকিয়া প্রেমিক রাজিব সিকদার ওরফে ইমন এর সাথে পালিয়ে যায়।
এমন কি ৫ আগষ্ট ২০২৪ ফরিদগঞ্জ থেকে সুদরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকার বাংলাবাজার পরকিয়া প্রেমিকের ঠিকানায় ৫ বস্তা মালামাল প্রেরন করে।
মাছুম রাব্বানী বলেন, আমার স্ত্রীকে আমি কোন দিক দিয়ে অভাবে রাখিনি। জীবিকার প্রয়োজনে প্রবাসে ছিলাম এটাই কি আমার অপরাধ।  বাড়িতে তাকে না পেয়ে মোবাইল ফোন যোগাযোগ করলেন( মরিয়ম বেগম) জানায়, আমার সাথে সংসার করবেনা। আমি যেন তাকে খোঁজার চেষ্টা না করি, তার পরকিয়া প্রেমিক রাজিব সিকদার ওরপে ইমন আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজলার গারুড়িয়া নামক জায়গা আছে সেখান গেল আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে। উপায় না পেয়ে আমি ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযােগ করেছি।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হানিফ সরকার বলেন, এ সময়ে আমাদের ফোর্স নিয়ে বাহিরে যাওয়া সম্ভব না।  আপনারা আদালতে একটা মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশনা পেলে আমরা উদ্ধারের চেষ্টা করবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital