শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে স্ত্রী নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পুলিশের কাছে স্বামীর আবেদন

মোঃ মুছা তপদার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০২৩, ১০:০২ পিএম
চাঁদপুরে স্ত্রী নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পুলিশের কাছে স্বামীর আবেদন

চাঁদপুর গুনরাজদী ছোটমেয়ে সন্তানসহ এক গৃহবধূ নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ সুপার বরারর অভিযোগ করছেন স্বামী দেলোয়ার হোসনে বেপারী।

এ ঘটনায় গত ২৮ ইং জুলাই (শুক্রবার) চাঁদপুর পুলিশ সুপার বারাবর অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এর আগে ২৫ ইং জুন (রবিবার) ওই গৃহবধূ নিখোঁজ হন।

অটো চালক দেলোয়ার হোসেন বেপারী বলেন, বিগত ১৫ বছরের আমাদের সুখের সংসারে ২টি সন্তান রয়েছে। দীর্ঘকাল সুখের শান্তিতে ঘর সংসার করাকালীন আমার স্ত্রী বিগত কয়েক মাস দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোনে কথাবার্তা বলতো। উক্ত বিষয়ে আমি আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আমাকে কিছু বলতো না। বরঞ্চ আমার উপর ক্ষিপ্ত উত্তেজিত হইতো। আমার কোন কথায় কর্নপাত করিতো না।

উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিগত ২৫ ইং জুন (রবিবার) দুপুর ১:০০ টার সময় আমার অনুপস্থিতিতে আমার ছোট মেয়ে সহ কোথায় যেন পালিয়ে যায়।

Model Hospital

আমি আমার কর্ম হইতে বাড়িতে আসলে আমার স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে আমার শ্বশুর ও শাশুড়ি কে অবগতি করি। তারা আমাকে বলে আমার মেয়ে তোমার ভাত খাইবে না তুমি অনর্থায় বিবাহ করিয়ে নাও। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাদের কোন খোঁজ খবর আমি পাচ্ছি না।

দেলোয়ার আরো বলেন, ‘আমাদের সংসারে দুই মেয়ে সন্তান রয়েছে। পরিবার নিয়ে সুখে সংসার চলছিল। এখন সব তছনছ হয়ে গেল। আমার বড় মেয়ে মা জন্য কাঁদছে। আমি আমার স্ত্রী ও ছোট মেয়েকে ফিরে পেতে চাই। আগের মতো তাদের নিয়ে সুখের সংসার করতে চাই।’

এ বিষয়ে জানতে ওই গৃহবধূর পরিবারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা কথা বলতে রাজি হননি।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।