বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ার তেগুরিয়া-জুগিচাপর ব্যস্ততম সড়ক বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:১৪ পিএম
কচুয়ার তেগুরিয়া-জুগিচাপর ব্যস্ততম সড়ক বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

কচুয়ায় শিমুলতলী মোড় থেকে জুগিচাপর ২ কিলো: সড়ক বেহাল দশা,জনদুর্ভোগ চরমে।

কচুয়া উপজেলার বিতারা ও পশ্চিম সহদেবপুর দুই ইউনিয়নের মাঝখানে তেগুরিয়া,চাংপুর,জুগিচাপরের ২ কিলোমিটার ব্যস্ততম সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরন ফাঁদ সড়কের পরিণত হয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে যানবাহন ও স্থানীয়রা। ফলে হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।

গুরুত্বপূর্ণ এসড়ক দিয়ে বিতারা ইউনিয়নের চাংপুর, তেগুরিয়া, জুগিচাপর, সৈয়দপুর, মাঝিগাছা ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের নন্দনপুর, খিলমেহেরসহ ১৫ টি গ্রামের মানুষ এই সড়কে যাতায়াত করেন।

এ সড়কের আসপাশে ওবায়েদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অনেকগুলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন ছোট বড় অসংখ্য যানবাহন ও হাজার হাজার মানুষ এ সড়কটি যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিমুলতলী মোড় থেকে তেগুরিয়া জুগিচাপর পর্যন্ত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের ২ কিলোমিটার এই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতে গর্তে পানি জমে যায়। সড়কের উপরের পিচ উঠে অনেক জায়গায় বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়। তেগুরিয়া মার্কেটের পশ্চিম ও পূর্ব পাশে ও পাটোয়ারী বাড়ি সংলগ্ন, জুগিচাপরসহ বিভিন্ন জায়গায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও স্থানীয়রা।

Model Hospital

এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী ইজিবাইক চালক মো. শাহ্ আলম বলেন, রাস্তার যে বেহাল দশা, তাতে চলাচল করা খুবই কষ্ট। কয়েকদিনে দুইবার আমার ইজিবাইক উল্টে গেছে। যাত্রীসহ আমি আহত হয়েছি।

তেগুরিয়া ওবায়েদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সজীব রানা বলেন, ‘দুই কিলোমিটার হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। কোন যানবাহন পাওয়া যায় না ভাঙা রাস্তার জন্য। গত বছরে বৃষ্টির মৌসুমের সময় কয়েকবার গর্তের মধ্যে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছি।

অটোরিকশা চালক লেয়াকত আলী বলেন, শিমুলতলী মোড় থেকে জুগিচাপর ২ কিলোমিটার পথ যেতে স্বাভাবিকভাবে ১০মিনিট লাগার কথা। কিন্তু খানাখন্দের কারণে এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে। যাত্রীরাও চরম ভোগান্তির শিকার হয়। আমাদের ছোটখাট গাড়ির বেশ ক্ষতি হয়।

সেলিম পাটোয়ারী নামে এক বৃদ্ধ আক্ষেপ করে বলেন, ‘২ থেকে ৩ বছর ধরে রাস্তাটি খুব খারাপ হয়েছে, এখন চলাচল করা যায় না। মানুষজন অসুস্থ হলে হাসপাতালেও নেয়া যায় না।

কচুয়া উপজেলার প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা আব্দুল আলীম লিটন বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে সড়কটির সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।