শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

খালেদা জিয়া: আপোষহীন নেতৃত্ব, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের প্রতীক

ফয়েজ আহমেদ, গণমাধ্যম ও সমাজ কর্মী প্রকাশিত: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:০৩ পিএম
খালেদা জিয়া: আপোষহীন নেতৃত্ব, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের প্রতীক
বেগম খালেদা জিয়া চলে গেলেন- একজন অদম্য নেত্রী, যিনি শুধু রাজনৈতিক সংগ্রামে নয়, দেশের গণতন্ত্র ও মুক্তিকামী মানুষের প্রতি তার অটল ভালোবাসা দিয়ে জাতির হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন। তার মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক শূন্যস্থান তৈরি করেছে, কিন্তু তার জীবন ও সংগ্রাম অনন্তকাল ধরে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
খালেদা জিয়া ছিলেন একজন আপোষহীন নেত্রী, যার জীবনজুড়ে লক্ষ্য ছিল দেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে নেওয়া।
একের পর এক ষড়যন্ত্র, জেল-জুলুম, বাড়ি থেকে উচ্ছেদ এবং দুই পুত্রের ওপর চলা নৃশংস নির্যাতন- এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তিনি কখনও মানুষের অধিকার ও মুক্তির পথে আপোষ করেননি। তার জীবন বিপন্ন হয়েছিল কারাগারে সুচিকিৎসার অভাব এবং বিভিন্ন সময়ে খাবারে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে, কিন্তু এসবের মধ্যেও তার অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং সাহস তাকে কখনও ভেঙে দিতে পারেনি। তিনি শুধু রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না; তিনি গণতন্ত্রের রক্ষক, মুক্তিকামী মানুষের মা, যার সাহস ও দৃঢ়তার সামনে প্রতিকূলতাও কখনো দাঁড়াতে পারেনি।
ষড়যন্ত্রমূলক জিয়া অরফ্যানেজ ট্রাস্ট দূর্নীতি মামলাসহ বিভিন্ন দূর্নীতি মামলায় তাকে জড়ানো হলেও, তার জীবনে সম্পদের পাহাড় গড়া বা দূর্নীতির কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। এই সততা তার নেতৃত্বকে আরও দৃঢ় করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে সত্যিকার নেত্রীকে কখনো ভুল দৃষ্টিতে আঁকা যায় না।
তিনি দেশের গণতন্ত্রের জন্য যে সংগ্রাম করেছেন, তা শুধু ব্যক্তিগত নয়; এটি পুরো জাতির জন্য এক দৃষ্টান্ত। জেল-জুলুমের স্রোত, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং পারিবারিক ভোগান্তি—সবই তার পথচলায় অন্তরায় সৃষ্টি করেছে, কিন্তু তিনি কখনও আপোষ করেননি। তার জীবন আমাদের শিখিয়েছে যে গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে সাহস, ধৈর্য, একাগ্রতা এবং নৈতিক অটলতা অপরিহার্য।
খালেদা জিয়ার প্রতিটি পদক্ষেপে ফুটে ওঠে দেশের মানুষের জন্য মায়ের মতো যত্ন ও দায়িত্ববোধ। তিনি ছিলেন সেই মা, যিনি গণতন্ত্রের নামে লড়াই করেছেন এবং প্রতিটি মুক্তিকামী নাগরিককে পথ দেখিয়েছেন। তার জীবন ও সংগ্রাম বাংলাদেশের রাজনীতির অম্লান ইতিহাসে চিরজাগ্রত থাকবে।
আজ যখন খালেদা জিয়ার দেহ আমাদের ছেড়ে গেছে, তার আদর্শ, নৈতিকতা এবং সংগ্রামের চেতনা আমাদের মাঝে অমর। তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন নেত্রী শুধু ক্ষমতা নয়, ন্যায়, সততা এবং মানুষের মুক্তির প্রতীকও হতে পারেন।
বেগম খালেদা জিয়া চলে গেলেন, কিন্তু গণতন্ত্রের মা ও মুক্তিকামী মানুষের মা হিসেবে তার প্রতিচ্ছবি চিরকাল অনন্য থাকবে।
লেখক: গণমাধ্যম, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital